তবুও একাকির ভালোবাসা-পর্ব ৪
লিখেছেন: তবুও একাকি...
রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১১:২৬ অপরাহ্ণ৭ টি মন্তব্য
বইখানা দেওয়ার পর সারাদিনই আমার খুব অস্হিরতার মধ্যে যায়। রাতে ভালোমতো ঘুমও হয় নাই। পরেরদিন রাতে ভাগ্নেকে দিয়ে বইটি ফেরত পাঠায়। যেহেতু গত দুই দিনে বিপরীত কিছু পাওয়া যায় নাই তাই আমি খুব আশাবাদি ছিলাম যে উওরটা হা হবে। খুব আশা নিয়ে বইটি উল্টাতে থাকলাম। কিন্তু একটু পর যা দেখলাম তা দেখে শুধু হতাশাই হলাম না নিরাশও হলাম।
দেখি আমার দেওয়া কাগজটি এখনও আছে। কিন্তু আমি যেই পৃষ্ঠায় কাগজটি রেখেছিলাম কাগজটি ঐখানে ছিলনা, ছিল অন্য পৃষ্ঠার মাঝে। তারমানে কাগজটি তার যে নজরে এসেছিল, সেটি বোঝানোর জন্যই ওমনটি করেছিল।
আমার লেখা ঐ কাগজটি দেখে… আমার ভালবাসার সমাপ্ত দেখে… খুবই দুঃখ পেলাম। কিন্তু একই সাথে আনন্দিত হলাম যে আমার বাসার কাউকে তো আর এই কথা বলে দেয় নাই। কারন আমি আমার পরিবারের সবাইকে খুব ভয় পাই।
যাই হোক, ব্যাথিত মন নিয়েই স্খুলে যেতাম। পথে দেখা হতো দুজনের। কিন্তু কোন কথা বলি নাই। আমার বইও সে নিতো কিন্তু কোন চিরকুট রাখি নাই। এভাবেই অনেকদিন চললো।
একদিন আমার বাংলা বইয়ের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার উপরের কোণায় দেখি ছোট করে একটা হৃদয় আঁকা আর তার মাঝে আমার নামের প্রথম অক্ষর। কিন্ত আশান্বিত হয় নাই। কেননা হয়তো অন্য কেউ করছে এই ভেবে।
আরেকদিন বইয়ের ভিতর হাতে আঁকা একটা ছাগলের ছবি পাই। এইবার আমি নিশ্চিত হই যে ছবিটি তারই আঁকা। ঐ ছবিটার সাথে আমি একটা কাগজে লিখেদিলাম “নিজের ছবি দিলেন নাকি?”। খুব খেপেছিলো কিনা জানিনা। কিন্তু উওরটা পেয়েছিলাম “আপনার ছবি আঁকতে গিয়ে ওটা হয়েছে”
এইখান থেকেই শুরু হয় চিরকুট লেখালেখি…
(চলবে…..)
ট্যাগঃ









রাশেদ ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
খিক খিক!
এই পাড়ার খবর পাইলেন কার কাছে?
তবুও একাকি... সেপ্টেম্বর ৭, ২০০৮ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
ঐ পাড়ার কাছ থেকে
(আপনি আর যান না যে ঐ পাড়ায়?)
রাশেদ সেপ্টেম্বর ৭, ২০০৮ ১১:৫১ অপরাহ্ণ
যাই। তবে একটু কম কম। সেপ্টেম্বরের পরে আবার নিয়মিত হব। এই পাড়াতেও তেমন কমেন্টাইতে পারি না।
খবর কি আপনার?
বাজার করতে গেলাম। ১৫ মিনিট পরে আসবো। থাকলে কথা হবে।
তবুও একাকি... সেপ্টেম্বর ৭, ২০০৮ ১১:৫২ অপরাহ্ণ
থাকবো না, সেহরী খেয়ে ঘুমাবো
আছি ভালোই
রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
তবুও একাকি... সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:২৮ অপরাহ্ণ
(H)
রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:৪১ অপরাহ্ণ
একন কি আবার সেহেরির টাইম হইছে!