শেখ হাসিনা আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছে। আমদের জীবন সার্থক হলো!
লিখেছেন: বিএনপি
মঙ্গলবার, ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ১৩ টি মন্তব্য
যে দল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল সে দল যে কতটা আদর্শহীন এবং নীতিহীন হতে পারে তার প্রমান এই আলীগ। জরুরী অবস্থার মতো দম বদ্ধ অবস্থায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে এ সরকারের অবৈধ কাজকে বৈধতা দিল আলীগ। সরকারের সাথে গোপন আতাত ও ষড়যন্ত্র করে তাদের নেত্রী বিদেশ ভ্রমনে গেলেন, তারা নির্বাচনে অংশ নিল…..কি সুন্দর খেলা! এতবড় নেত্রী এতদিন হয়ে গেল বিদেশ ভ্রমনে গেল, অথচ জনগনকে নিয়ে বিবিসি বা সিএনএন এ তার কোন বিবৃতি শুনলাম না। দেশের জনগনের মৌলিক অধিকার হরণ করে, সেনাবাহিনীর নলের মুখে দেশের মানুষের যখন নাভিশ্বাস, কয়েকজন উপদেষ্টা যখন ডজন ডজন মন্ত্রীর কাজ করতে গিয়ে লেজে গোবড়ে করে ফেলছে, দেশটা যখন রসাতলে যাচ্ছে,তখন নেত্রী ঘুড়ে বেরান, কন্টিনেন্টাল বিয়ের দাওয়াত খান, জনগন এর ব্যপারে দুটা কথা বলার টাইম নাই। পৃথিবীতে এমন কোন নেত্রী আছেন যিনি দেশের জনগনকে জরুরী অবস্থায় ফেলে বিয়ের ঘটকালি করেন, দাওয়াত খান? ছিঃ.. ছিঃ।
এতদিন নেত্রী মুখে তালা দিয়েছিলেন, এখন তালা খুলছেন। জনগন আলীগকে বিজয়ী করায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কি ধরনের ফাজলামী? জনগনের সাথে কোন কথা না বলে পেছনের দরজা দিয়ে মীরজাফরের মতো দেশ ত্যাগ, অতঃপর কন্টিনেন্টাল বিয়ের দাওয়াত, জনগনকে কোন আশ্বাস না দিয়ে আমেরিকায় বিলাসী জীবন যাপন…….অতঃপর ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে জিতেই জনগনের কথা মনে হয়ে গেল! জনগনকে ধন্যবাদ দেয়া যায়, কিন্তু তাদের দুঃখে কস্টে পাশে থাকা যায়না, তাদেরকে আশ্বস্থ হ্ওয়ার বানী শোননো যায়না!
অবশ্যই নেত্রী তার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন তা বলা যাবেনা। তিনি বহুবার বলেছেন গত জোট সরকারের আমলে, জনগনের ভোটের অধিকারের জন্য তিনি লড়ছেন, তিনি জনগনের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে ছাড়বেন। তিনি তা করে দেখিয়েছেন। এই নির্বাচন তার প্রমান। নেত্রী তো বলেননাই যে, তিনি বিপদের সময় পাশে থাকবেন, জরুরী অবস্থায় চাপা পড়া মানুষকে বাচাতে সংগ্রাম করবেন, তত্বাবধায়ক সরকারের অদক্ষতার জন্য দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ আধমরা হলে যে, তিনি সংগ্রাম করবেন বা বিয়ের দাওয়াত খাবেন না, তাতো তিনি বলেননাই। ক্ষমতার লোভে তত্বাবধায়ক সরকারের সাথে গোপন আতাত করবেননা, তাতো তিনি বলেননাই, লন্ডনে বিদেশী কুটনীতিকদের সাথে নিয়ে গোপন বৈঠক যে তিনি করবেননা, তাতো তিনি বলেননাই। হা হা হা। এজন্যইতো জনগন তার দলকে বিজয়ী করেছে!
তবে নেত্রী যে কথা রাখবেন সেটা আমাদের মনে রাখতে হবে। তিনি এটাও বলেছিলেন যে, এই সরকারের সকল কাজের বৈধতা তিনি দেবেন। তিনি এটা দিবেনই। কারণ যে কোন কিছুর বিনিময়ে তিনি আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হতে চান।
আর জনগন, জনগন আবারো অভিনন্দন পাবে। আরো অনেকবার পাবে। একবার এরকম অভিনন্দন পেলেই তো জীবন স্বার্থক হয়ে যায়। আর তিনি তো বারে বারে দিবেন। আসুন আমরা শেখ হাসিনাকে আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী বানানোর জন্য গনভোট আয়োজন করি। আমাদের জীবন চিরতরে সার্থক করি।
ট্যাগঃ








রাশেদ ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
উনার তো ৫৭ বছর বয়সে রিটায়ার করার কথা ছিলো!
[জবাব]
বিএনপি অগাষ্ট ৫, ২০০৮ ৫:১৩ অপরাহ্ণ
কথা থাকলেই রাখতে হবে, কিংবা কথা না থাকলে করা যাবেনা, এরকম কোন কথা আলীগের ডিকসনারিতে নাই।
[জবাব]
রাহা ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৫:০৩ অপরাহ্ণ
কখন কি কন বুঝি না তো আপনার মতি গতি, রাইতের বেলা আওয়ামী লীগরে অভিনন্দন জানালে আজকে আবার দিনের বেলা কন এই কতা ???!!!
[জবাব]
রাশেদ অগাষ্ট ৫, ২০০৮ ৫:০৬ অপরাহ্ণ
[জবাব]
বিএনপি অগাষ্ট ৫, ২০০৮ ৫:১২ অপরাহ্ণ
@@@ রাহা
আপনার কথায় বুঝা যায়, আপনি শুধু হেডিং পড়ছেন, কনটেন্ট পড়েন নাই! আমিতো আবার ও সার্থক হইলাম বলছি, অন্য কিছু তো বলি নাই। দ্বিমত কোথায় করলাম। আগের পজিসনেই তো আছি।
[জবাব]
রাহা অগাষ্ট ৫, ২০০৮ ৫:২৫ অপরাহ্ণ
কি জানি … হতে পারে, েএতো কিছু বুছি না !!! আমি তো জানতাম সকাল দেখলেই নাকি বুঝা যায় দিনটা কেমুন যাবে ??!! (H)
[জবাব]
Abul Hasnat ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৫:১৭ অপরাহ্ণ
এটা শেখ হাসিনার সমজোতার ফসলের প্রথম অভিন্ন্দন অপেক্ষা করুন সামনে আরও পাইবেন (O)
[জবাব]
ব্লুজ ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৫:৫১ অপরাহ্ণ
“রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই”- এই মহা মূল্যবান বানীখানা কইয়া আমাদের নেতা-নেত্রীরা আবার মাসুম বাচ্চার লাহান নিষ্পাপ হইয়া যায়।
খালি আমরাই হইতে পারিনা।
[জবাব]
গেদু চাচা ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৫:৫২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আদর্শচ্যুতি হওয়ার কারণে-ই তো আজ দেশের এ অবসথা। দেশের সাধীনতা নিজের কনঠে ঘোষনা করে রাজাকারের সাথে হাত মেলানো সেটাও কি আদর্শচ্যুতি নয়?হাসিনাকে নিয়ে যা বললেন সে সব আজাইরা কথা। কারণ আমরা আমাদের দেশের নেতানেত্রীদের কাছ থেকে কোন কালে কি ভালো কিছু পেয়েছি? জিতলে সব ঠিক, না জিতলে কারচুপি সেটা তো পুরান কথা। এখানে হাসিনা-খালেদা কোন ব্যাপার না।
বিড়ালে ইদুর ধরে খায় নিজের পেটের খিধায়, গেরসথের উপকারের জন্য নয়। বংগদেশে মাছের মা-বাপের হাট সব সময়-ই জমজমাট ছিলো, এখনো রয়ে গেলো।
যা ভাবছিলাম তা পাইনি, সো যেই লাউ সেই কদু।
[জবাব]
গেদু চাচা ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
পুনশচ: আপনার সাথে তো আমার পুরান বিরোধ, তাই আজাইরা কথা মানে মিছা কথা মনে কইরেন না।
[জবাব]
বিএনপি (লেখক) ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৬:৫৩ অপরাহ্ণ
@@ গেদু চাচা
যেটা সত্যি সেটা মানতে তো আমার কোন সমস্যা নাই। আপনার সাথে আমার পুরনো বিরোধ, সেইটা আপনি তৈরী করছেন এবং আমাকে বিরোধে জড়াতে বারবার উস্কানি দিছেন। মূলত, গায়ে এসে না পড়লে আমি কারো সাথে বিরোধে যাইনা। আপনি আমাকে প্রথম বাজে কথা বলেছেন এবং তারপর আমি বলছি। যতটুকু বলার বলছি, আর ঐগুলা ধরে রেখে যে সারাজীবন বিরোধ জিইয়ে রাখবো তেমনটা ভাবা ঠিক না। আমি যা করছি সেটা আত্মরক্ষার তাগিদে করছি এবং এটা বোঝানোর জন্য করছি যে, বাড়াবাড়ি আমি ও করতে পারি, যদি আমি ইচ্ছা করি।
আপনাকে ধন্যবাদ, গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেয়ার কারনে।
কিন্তু ব্লগে এসে ঝগড়াঝাটি করার কোন ইচ্ছা আমার নাই। মনের ভিতর কিছু কথা জমা হয়, সেগুলি বলতে আসি ব্লগে, আর তো কোন সার্থ নাই। যদি সেটা বলতে গিয়ে দেখি গালাগালি শুনতে হয়, লোকজন অন্যায় আচরন করে, তাহলেতো সেটা মেনে নেয়া কঠিন। আমি কাউকে ছোট করে দেখিনা কাউকে, তাই আমাকে কেউ ছোটর চেয়ে ছোট মনে করলে, সেটার যথাসম্ভব প্রতিবাদ করি।
রাজনীতি বা নেতা নেত্রী সম্পর্কে আপনি যা বলছেন তার সব ঠিক আছে। কিন্তু কথা হলো, গোপন চুক্তি করে বিদেশ যাওয়া, লন্ডনে গোপন মিটিং করা, আতাত করে নির্বাচনে যাওয়া……..এসব জিনিস কিন্তু নতুন একটা মাত্রা পাচ্ছে এখন। আর এজন্য আলীগ দায়ী!
যদি খালেদা জিয়া কোন গোপন চুক্তি করে বিদেশ যায় জনগনকে অন্ধকারে রেখে,তাহলে সেদিন ও আমি প্রতিবাদ করবো। কারণ আমি বিএনপির ভালো চাই অমঙ্গল চাইনা। অমঙ্গলের পথে বিএনপি হাটুক তা আমি চাইনা। হাটলে আমি প্রতিবাদ করবো।
[জবাব]
সুজল বাঙ্গালী অগাষ্ট ৬, ২০০৮ ৭:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অহনতক বিএনপি অমঙ্গলের পথে হাঁটে নাই? বিএনপি, প্রজন্ম ৭১ আর আপনি দেখি অনেক ব্যাপারে একমত থাকেন। মাঝে মাঝে সুরে সুর মিলিয়ে গালিগালাজও করেন। আপনার কাছে একটা ব্যাপার জানতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীণতা সম্পর্কে প্রজন্ম ৭১ এর মনোভাবের সাথে আপনি একমত কি-না? তার মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে করা মন্তব্যগুলিকে আপনি কিভাবে মুল্যায়ন করেন?
[জবাব]
মলিকুল ৫ অগাষ্ট ২০০৮ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
শেখ মুজিব আমৃত্যু বাংলাদেশের পৃসিডেনট হতে চেয়েছিলেন…ঐ ঘোষনা আসার আগেই তিনি মারা পড়েন। শেখ হাসিনা যদি ওমন চান, তিনিও মারা পড়বেন। যারা উপরে উঠায়, স্বারথ কারেনই ওঠায়, তাই নামাতেও সময় লাগে না। কোথায় যেনো পড়েছিলাম, ৭১ এর গনহত্যার জন্য ৩টা পরিবার দায়ী, মুজিব-ইনদিরা-ভুটটো, রকতো দিয়েই এদের লাখ লাখ মানুষের রকতের দাম শোধ করতে হবে। ইনদিরা-ভুটটো ফ্যামিলির ২য় জেনারেশন শেষ, মুজিব ফ্যামিলির টা কবে হবে?
জিয়াউর রহমান ও পার পান নি, তারও রকতো ঝরেছে..। একসময়ের সহযোদধাদের হাতেই তাকে ঝাঝারা হতে হয়েছে? এটাও কি আর একটু বারবে?
আমরা যেখানেই আসি, ঐ খানেই থাকবো।
শেখ হাসিনা! ধিক্ আপনাকে। মতিয়ুর রহমান রেনটুর কথাই এখন সত্যি মনে হচছে।
[জবাব]