বাংলায় নাম
অকিঞ্চনের বৃথা আস্ফালন
পরিচিতি
সদর দরজা
অদ্ভুত পুর্ণিমা দর্শন
খবরঃ(১১ই অক্টোবর ২০১১) চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় খেলা নিয়ে কিছু কিশোরের মাঝে মারামারি হয়। তখন এলাকার মুরুব্বিরা এক ছেলে কে মসজিদের পাশে বেধে রাখে। পরে সেই ছেলের পরিবারের লোকজন গিয়ে ছেলে কে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় লক্ষ্মী পুজা উপলক্ষে কিছু ছোট ছোট বাচ্চা বাজি ফুটিয়েছিল। যেখানে ফুটিয়েছিল সেই এলাকাটা হিন্দু প্রধান এলাকা। মসজিদের কিছুতা দূরে। এই বাজি ফুটানো নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা কিছু মুসল্লি মারধোর করে সেই ছেলে গুলোকে। পরিনাম এ শুরু হয়ে যায় সেই ছেলে গুলোর পরিবারের সাথে মুসলমানদের মারামারি।
এবং এর পরপরই মসজিদের ইমাম ঘটনা রোধ না করে আরো উস্কে দেয়। তিনি নিজে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেয় যে হিন্দুরা মসজিদ আক্রমন করেছে। ফলে হটাৎ করে ছোট ঘটনা বড় হয়ে যায়।
মুসলমানরা একত্র হয়ে আক্রমণ করে হিন্দু পরিবার গুলোর উপর। শুরু হয় তুমুল পাথর বৃষ্টি। টেকপাড়ায় জ্বালিয়ে দেয় ৬ টি ঘরবাড়ি। আহত হয় ২ জন সাংবাদিক সহ ৬০ জন। আহতদের মধ্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সাজিবের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহত অপর সাংবাদিক হচ্ছেন বাংলানিউজ এর উজ্জল ধর। একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুই পক্ষের এই মারামারি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছু উষ্কানি দাতা আক্রমন করে পাথরঘাঁটা লোকনাথ মন্দির ও দুইটি কালী বাড়িতে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ আর র্যাব ঘিরে রেখেছে সকল ধর্মীয় স্থান।

আরো সংবাদঃ
১। এদিকে ঘটনা সামাল দিতে প্রথম দিকে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা
সুত্রঃ http://www.dainikazadi.org/first_details.php?news_id=3890
২। বংশাল রোড জামে মসজিদের মুসলি্ল শাহ আলম মণি জানান,এশার নামাজ পড়ার সময় জেলে পাড়ায় বাজি ফাটানো হচ্ছিল। নামাজের সময় বাজি না ফাটানোর জন্য অনুরোধ করা হলে তাতে তারা ক্ষেপে যায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।
সুত্রঃ http://www.dainikpurbokone.net/index.php?option=com_content&view=article&id=11689:2011-10-11-23-40-43&catid=6:2011-05-26-03-32-28&Itemid=1
আমার কথাঃ
কেউ যদি উস্কে না দিত তাইলে এই ঘটনা এত বড় হত না। হিন্দুর সংখ্যা ৭-৫% মাত্র। কাজেই তাদের এত সাহস হবে না যে মসজিদ আক্রমণ করবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যদি সম্পন্ন হয়ও তাতে দেশ থেকে এই সব সাম্প্রদায়ীকতা যাবে না। এরা যেসকল বিষ মানুষের মনে ঢুকিয়ে দিয়েছে তা গোড়াতেই নিয়ন্ত্রণ না করলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সুফল পাওয়া যাবে না, যেমন করে আমরা স্বাধীনতার সুফল পাই নাই।
অদ্ভুত পুর্ণিমা দর্শন
অদ্ভুত আমার পুর্ণিমা দর্শন
অদ্ভুত এই আলোকায়ন
সারা পৃথিবী সাদা আলোর শ্রাবণ
আমার ঘরে রাবণ।
ঘুরে ঘুরে আসি বারে বারে
ওই অশ্বথের তলে
কতবার বসিয়াছি গেছে কত যুগ
সীমা নায়, সব বিফলে পড়িয়া হুজুগ।
অদ্ভুত এই পুর্ণিমার অদ্ভুত রূপ
দেখা হয় নাই তার স্বরূপ
সেদিন তার তলে বোধি
মুখ বাঁধা কঙ্কালের সারি
হাতে মশাল দিতেছে মূলে বাড়ি
পড়িতেছে পাথরের বারী
দূর হতে দেখি তার রূপ
ঢালি দিল বিষ, পোড়াল খুব।
অদ্ভুত এই পুর্ণিমায় অদ্ভুত সকল
দেখা গেল বুদ্ধের চোখে জল।
কে নিবারিবে বিষের ঢল
নীলকণ্ঠ কে হবে বল।
ছড়িয়ে আছে যে গরল
নাই ভাবিলে হইবে না সরল
যতই কর বিচার, যুদ্ধাপরাধী তোষনের ফল
শত শত যুধিষ্ঠিরের দল।
অদ্ভুত পুর্ণিমায় এবার দিলে স্মরণ
আসিতেছে কালি অমাবস্যা
এক ফোঁটা রক্ত পড়িলে ভুমে বাড়ে শত গুনে
রক্তবীজের এই সংজ্ঞা।
অদ্ভুত এই পুর্ণিমায় পেলাম শ্রবণ
সুরাসুর দ্বন্দ্বে সুরই জিতে
জানো তো রাবণ ছিল ঈশ্বরপ্রবণ
অপরাধের ফল পেল করে সীতা হরণ।
- ক্যাটেগরি:
- অকিঞ্চনের বৃথা আস্ফালন-এর ব্লগ
- মন্তব্য প্রদানের জন্য লগইন অথবা রেজিস্টার করুন
- ১৮৬ বার পঠিত
Twitter-এ প্রকাশ করুন


মন্তব্য
হুম ...দুঃখজনক । পারস্পরিক সহমর্মিতা বা শ্রদ্ধাবোধ না থাকলে যা হয় ........ হিন্দুরা হয়তো মনে করছে আলীগ ক্ষমতায়, যা করি না কেন পূজার দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে, মুসলমানরা মনে করছে আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠ, নামাজের সময় বাজি ফোটাতে নিষধ করলাম তাও শুনলো না ... কাজটা কারোর তরফ থেকেই ভালো হয় নাই ......
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
মসজিদ আক্রমণ করেছে বলে মাইকে ঘোষণা দিলেন কেন? আপনি থাকলে আপনিও উস্কে দিতেন দেখছি!!
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
না রে ভাই ...কাইজ্যা কেচাল ডরাই ....
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
ঘটনার বিবরণে যা করি না কেন জাতীয় কোন ঘটনা তো দেখলাম না।পুরো ব্যাপারটাই তিলকে তাল করা হয়েছে,যার মূলে ছিল কিছু ফ্যানাটিক।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
মানসিক অবস্থা বিচার্য্য ...
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
যতদূর জানি এইসব উৎসবের সময় বাজি ফুটানো নিষিদ্ধ।সেই ক্ষেত্রে তো বাজি ফুটিয়ে ওই ছেলেগুলোই অপরাধ করেছে।নামাজের ব্যাপারটাও মাথায় রাখা উচিত ছিল।আমার উল্লাস অন্য একজনের প্রার্থনায় বাধা দিলে সেটা কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য নয়। তবে তালকে যেভাবে তিল করা হয়েছে সেটা অবশ্যই ঘৃণ্য।
সব ধরণের ফ্যানাটিসিজম নিপাত যাক।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
বাজি ফোটানো বাচ্চাদের কাজ ছিল, আর বড়দের কাজটা বড়রা এসে করে গেল। আর আপনি হয়ত জানেন না, এই পাড়াটা হিন্দু অধ্যুষিত।
বাংলাদেশে এখন আর আগের মত ভালো বাজি পাওয়া যায় না। কাজেই আমি ওই এলাকায় ওই সময় উপস্থিত না থাকলেও বুঝতে পারছি যে ওগুলা অত শক্তিশালী ছিল না।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
এ সবই দেশের আইন শৃঙ্খলার যাচ্ছেতাই অবস্থার প্রতীক........ দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রেই যে যা খুশি তাই করে পার পেয়ে যাচ্ছে .... কি হিন্দু কি মুসলিম ......
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বহতা নদীর মতো বয়ে চলে সময়, সাথে চলে জীবন নামের তরী, কখন ডুবে যাবে, কে জানে!
আপনার কমেন্ট এন্টেনার উপর দিয়া গেল
১.
সেটাই তো বললাম,তিলরে তাল বানায় যে কাজটা করা হইছে সেইটা অতি অবশ্যই ঘৃণ্য এবং উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত।বাজি ফুটানো কাদের কাজ সেটা নিয়া আমি কিছু বলছি বলে তো মনে পড়েনা,বাচ্চাদের কাজ হইলে বড়দের উচিত ছিল নিষিদ্ধ একটি কাজ বাচ্চারা যাতে না করে সেদিকে খেয়াল রাখা।
২.পাড়াটা হিন্দু অধ্যুষিত হবার সাথে আমার কমেন্টের সম্পর্ক কী ?
তাছাড়া পাড়াটা যে হিন্দু অধ্যুষিত সেটা পোস্টে একবার কইছেন।
৩.বাংলাদেশে ভাল বাজি পাওয়া যায় না যদি বলেন তাইলে বলব আপনার এই ব্যাপারে কোন ধারণাই নাই।আর ব্যাপারটা ভাল বাজি খারাপ বাজি নিয়া না,বাজি ফুটানো ব্যাপারটাই নিষিদ্ধ।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
এই ব্যাপারে আপনার আমার ভুমিকাই প্রধান।ফ্যানাটিকদের সংখ্যা সবসময়ই কম,সমস্যা হল তাদের ইউনিটি বেশি।সেই জন্য এন্টি ফ্যানাটিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা খুবই জরুরি।
*****************************
তোমার দগ্ধ দেহ
এইবার ঢেকে যাক নবজাত রোদে।
তোমার রক্তে ভিজে পোড়ামাটি ফিরে পাক প্রাণ।
তুমি সেই আগামীর মাঠে
ফলাও দু'হাত ভরে দগদগে আগুনের ধান।
সেটাই। নতুন করে ফেনাটিজম করার জন্য এই পোষ্ট দিই নাই। এই পোষ্টের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে "এন্টি ফ্যানাটিকদের" সচেতন রাখার জন্য। বিশেষজ্ঞরা বলেন ছোট ছোট ভুমিকম্প, বড় সড় ভুমিকম্পের লক্ষণ। কাজেই এদের ব্যপারে সতর্ক হতে হবে।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
ধর্ম যার যার
রাষ্ট্র সবার।
_____________________
ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে মুক্তির দাঁড় টান।
ধর্ম যার যার
রাষ্ট্র সবার।
সেটা আবার
যায় না কানে সবার।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com
মামুলি এই ঘটনা বড় আকার নিতে পারত প্রশাসন সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিত ও ঝটিকা পদক্ষেপের কারনে তা হয়নি সবাইকে সাধুবাদ জানাই
তবে কালকে সামু ব্লগে ছাগু নিকগুলারে পুরা ঘটনাকে উত্তপ্ত করবার একটা প্রচেষ্টা নিতে দেখা গেছে ইলেকসনের সময় যতো ঘনিয়ে আসবে এই ধরনের অপতপৎরতা আরো বৃদ্ধি পাবে ।
সেটাই। নতুন করে ফেনাটিজম করার জন্য এই পোষ্ট দিই নাই। এই পোষ্টের মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে "এন্টি ফ্যানাটিকদের" সচেতন রাখার জন্য। বিশেষজ্ঞরা বলেন ছোট ছোট ভুমিকম্প, বড় সড় ভুমিকম্পের লক্ষণ। কাজেই এদের ব্যপারে সতর্ক হতে হবে।
------------
অকিঞ্চন
banglaydebu.blogspot.com