<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	>

<channel>
	<title>Bangla Blog &#124; আমারব্লগ</title>
	<atom:link href="http://amarblog.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://amarblog.com</link>
	<description>আমারব্লগে আমি লিখবো যা খুশি তাই লিখবো</description>
	<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 22:53:43 +0000</pubDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.6.5</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>যুদ্ধক্ষেত্র ঢাকা ৮ - পরাজিত শক্তি বিজয়ের মাসেই বিজয় মঞ্চে দাড়িয়ে ব্যঙ্গ করতে চায় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অহংকারকে</title>
		<link>http://amarblog.com/eskimo/26483</link>
		<comments>http://amarblog.com/eskimo/26483#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 22:53:43 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26483</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/eskimo/26483><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/mir-kasem-ali-155x300.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>রাজনীতির যোগ বিয়োগ আর দু্‌ই বড় দলের কুৎসিত ক্ষমতার লড়াইয়ের সুযোগে এগিয়ে আসছে স্বৈরাচার আর রাজাকার। 
সর্বশেষ খবর হলো ঢাকা ৮ আসনে জোটের নমিনেশন পেয়েছে জামায়াতের কাসেম আলি। মীর কাসেম ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/mir-kasem-ali.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/mir-kasem-ali-155x300.jpg" alt="" title="mir-kasem-ali" width="155" height="300" class="alignnone size-medium wp-image-26484" /></a>রাজনীতির যোগ বিয়োগ আর দু্‌ই বড় দলের কুৎসিত ক্ষমতার লড়াইয়ের সুযোগে এগিয়ে আসছে স্বৈরাচার আর রাজাকার। </p>
<p>সর্বশেষ খবর হলো ঢাকা ৮ আসনে জোটের নমিনেশন পেয়েছে জামায়াতের কাসেম আলি। মীর কাসেম আলী কে? </p>
<p>একজন আল-বদর কমান্ডার। বুদ্ধিজীবি হত্যাকারী ও পাকবাহিনীকে বুদ্ধিহীন বাঙালী জাতি তৈরী করতে সহায়তাকারী আল-বদর বাহিনীর ৩য় নেতা হলো মীর কাসেম আলী।</p>
<p>স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর রাজনীতির নোংরা অলিগলি পেড়িয়ে এবার জামায়াত সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে মুক্তিযুদ্ধকে। মুক্তিযুদ্ধে মুল স্মৃতি বিরজিত সোহরওয়ার্দী উদ্যান আর আল বদরের হাতে নিহত শহীদ মুনীর চৌধুরী, জে সি দেব আর জৌতিময় ঠাকুরগুহতার স্মৃতি বিরজিত - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা আর রমনা নিয়ে ঘঠিত ঢাকা ৮ আসনে রাজনীতির কুটচালে নমিনেশন নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে আলবদর কমান্ডার। </p>
<p>মীর কাসেম আলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্যে দেখুন - অমি রহমান পিয়ালের পোস্ট :<br />
Click This Link </p>
<p>কুখ্যাত আল বদর মীর কাসেম আলীর কুর্কীতির আরও বিবরন:<br />
Click This Link</p>
<p>আল বদর বাহিনী ৩৮ বছরের আগের তাদের গনহত্যা বিচারকে এড়িয়ে এখন উল্টো সেই এই এলাকার নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করতে চায়। </p>
<p>এখানে একটা বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে - রাশেদ খান মেনন হলেন আরেকজন প্রার্থী - আর তাকে পুরোপরী নির্ভর করতে হবে একটা বড় দলের ভোটের উপর। যদি সেই দল দলীয় কোন্দলে পড়ে ভোট না দেয় =- তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে লজ্জাস্কর অধ্যয় সুচিত হবে -শহীদ মুনীর চৌধরীর স্মৃতি বিজরিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রতিনিধি হবে একটা আল বদর। </p>
<p>বিজয়ের মাসে একটা আল বদর নেতার এই চ্যালেঞ্জের সামনে আমাদের আহবান - দ্লমত নির্বিশেষে সকল নাগরিকরা ঐক্য বদ্ধ হউন। দলাদলির ক্ষুদ্রতা ভুলে আসুন আবার একটা ডিসেম্বর তৈরী করি - যে ডিসেম্বররে একটা খুনী আল-বদরকে ভোট যুদ্ধে পরাজিত করি - আর প্রজন্মের কাছে আমাদের অহংকারের কথা আবারও তুলে ধরি। </p>
<p>(দলিলের কৃতজ্ঞতা - এম এম আর জালাল) </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/eskimo/26483/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মরক্কো যেমন আমি দেখেছি  ৫</title>
		<link>http://amarblog.com/munim/26474</link>
		<comments>http://amarblog.com/munim/26474#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 21:29:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মুনিম</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[দিনলিপি]]></category>

		<category><![CDATA[ধারাবাহিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রবাস কথা]]></category>

		<category><![CDATA[বিদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ভ্রমন কাহিনী]]></category>

		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26474</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/munim/26474><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/casablanca-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>মরক্কো যেমন আমি দেখেছি ৪

মরক্কো যেমন আমি দেখেছি  ৫
মরক্কো যেন মিনি ইন্ডিয়া। এই অর্থে যে, ইন্ডিয়ার মত ভূবৈচিত্রের দেশ। যদিও এখান কার বেশীর ভাগ ভূমি বড় বড় পাহাড়ময়। তথাপি ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/munim/26267"target="_blank">মরক্কো যেমন আমি দেখেছি ৪</a></p>
<p><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/casablanca.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/casablanca.jpg" alt="" title="casablanca" width="216" height="296" class="alignnone size-medium wp-image-26475" /></a></p>
<p>মরক্কো যেমন আমি দেখেছি  ৫</p>
<p>মরক্কো যেন মিনি ইন্ডিয়া। এই অর্থে যে, ইন্ডিয়ার মত ভূবৈচিত্রের দেশ। যদিও এখান কার বেশীর ভাগ ভূমি বড় বড় পাহাড়ময়। তথাপি পূর্ব অংশ জুড়ে পৃথিবী খ্যাত পশ্চিম সাহারা মরু ভূমি। বাংলাদেশের অনেক লোক ইউরোপে পাড়ি জমাবার লোভে মৌরিতানিয়ার বর্ডার দিয়ে এই দুর্গম সাহারা মরুভূমি পাড়ি দিয়ে মরক্কোয় প্রবেশের চেষ্টা করে। আমার অনুরুদ আপনারা এ পথ দিয়ে আসবেন না। এ পথে এলে নির্ঘাত মৃত্যু। পশ্চিম দক্ষিণে গ্রেট মাউন্ট এটলাস অবস্থিত, এ যেন আরেক কাশ্মীর, এই এটলাসের চূড়ায় পর্যটন শহর ইফরান অবস্থিত। </p>
<p><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/2965243.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/2965243-300x201.jpg" alt="" title="2965243" width="300" height="201" class="alignnone size-medium wp-image-26476" /></a></p>
<p><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/8377934erwwieeqsw_fs.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/8377934erwwieeqsw_fs-300x200.jpg" alt="" title="8377934erwwieeqsw_fs" width="300" height="200" class="alignnone size-medium wp-image-26477" /></a><br />
ইফরানে আমি ও আমার পিএস সাহিদা</p>
<p>স্কেটিং ড্রাইবের জন্য ইউরোপ থেকে অনেক পর্যটক এসে থাকে। তাঞ্জা, আছিলা, কেনিত্রা, সালি, রাবাত, মহাম্মদিয়া, কাসাব্লাংকা  শহর আটলান্টিকের কূল ঘেসে অবস্থিত। এই তাঞ্জা থেকে একদিন ইবনে বতুতা বিশ্ব ভ্রমণে বের হয়েছিলেন এবং ভ্রমণের এক পর্যায় বাংলাদেশের সিলেটে এসেছিলেন। ইবনে বতুতার মাজার তাঞ্জা শহরে বিদ্যমান।</p>
<p><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/8374385ltxsbhaubv_fs.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/8374385ltxsbhaubv_fs-300x199.jpg" alt="" title="8374385ltxsbhaubv_fs" width="300" height="199" class="alignnone size-medium wp-image-26478" /></a> মারাকেশের হৃদে লেখক।</p>
<p>মরক্কোতে অত্যাধূনিক সপিংমল আছে যেখানে বিরাট পার্কিংলট আছে। এ টু জেড এক জায়গা থেকে কিনতে পাওয়া যায়। সপিং মলের মধ্যে চেইন ষ্টোর মার্কো ও মারজান বিখ্যাত। কাসাব্লাংকার সিটি সেন্টারে টুইন টাওয়ার কম্পলেকস ও আলফা সেকনসেং । আবার আমাদের গ্রাম হাটের মত ও হাট আছে। </p>
<p><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/f0026634.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/f0026634-193x300.jpg" alt="" title="f0026634" width="193" height="300" class="alignnone size-medium wp-image-26479" /></a></p>
<p>যা সাপ্তায় একদিন বসে। নাম ও সেই ভাবে, যেমন শনিবারের বাজার, রবিবারের বাজার, আরবীতে শুক আল সাবত, শুক আল আহাদ। তাদের বাজারে সব সময় ফ্রেস সবই থাকে। মরক্কানরা কোন পোক্ত শাক- সবজি খায় না। তাই বাজারে ও ঐ সব উঠে না। সব সময় কচি সবজিই ওদের পছন্দ। </p>
<p>মাছ যদিও সব সময় খায়না তথাপি যখন খায় তখন আমার লজ্জা লাগে আমাকে মাছে ভাতে বাঙ্গালী বলে ভাবতে। তাদের প্রিয় মাছ সার্দিন, মাকর্ল, তোন, তবে ওরা সাগরের নিচের সব ধরনের মাছই খায়। তবে কাটা ছাড়া মাছ ওদের প্রিয়। বড় মাছকে আস্ত রেখে মসলা ও টমটো সস দিয়ে মেখে টমটো লেবু চাক চাক করে মাছের উপরে ও চার পাশে সাজিয়ে ওভেনে বেক করে খায়। বাকি সব ছোট মাছ ময়দায় মেখে ডুবো তেলে ফ্রাই করে খায়। যখন মাছ খাবে এক প্লেট মাছই খাবে। আমাদের মত এক প্লেট ভাতের সাথে এক পিস মাছ নয়। সাগরের ঝিনুক, কাঁকড়া, অষ্ট্রেস, ষ্টার ফিস, অক্টোপাস্‌ ও ওরা খায়। আফ্রিকান সামুকের স্যুপ ও ওদের খুব প্রিয়।</p>
<p>মাংসের মধ্যে গরু এক এক গরু এতো বড় যে ছাল ছাড়া দেখলে মনে হবে ঘোড়া। ঘোড়ার মাংস ও ওরা খায়। তবে কম লোকই খায়। আর যে শপে এটা বিক্রিহয় সেখানে ঘোড়ার মাথার ছবি থাকে। যাতে কষ্টমারের কোন বিভ্রান্তিতে পড়তে না হয়।<br />
যদি কারো তেমন পয়সা নাই মাংস কিনার সে পাঁচ দেহরামের গরুর চর্বি কিনে তা আলুদিয়ে তরকারি রেঁধে খাওয়া সারতে পারে। আমি একটা জিনিস ভেবে পাইনা তারা যে ভাবে এনিমেল ফ্যাট খায়, তাতে ঐ দেশের বেশির ভাগ লোকেরই হার্টস এটাক হয়ে মরার কথা তথাপি খুব কম লোকই মরে ঐ রোগে।</p>
<p>এর কারণ হতে পারে প্রচুর পরিমাণ ফল খাওয়ার জন্য। এবং আরেকটি জিনিস ব্যবহার করে প্রায় সব খাদ্যে তা হল জৈতুন।<br />
রংবেরং এর জৈতুন পাওয়া যায় ঐ দেশে। দেশের সব বাজারে জৈতুনের দোকানের পট্টিই আছে। আমাদের অনেকের ধারণা জৈতুন মানে অলিভ আর অলিভ মানে আমাদের জলপই। না তা আসলে ভুল। জৈতুনের আসল স্বাদ প্রচণ্ড কষা, যা মুখে নেবার ক্ষমতা কারো নাই। জৈতুনকে সিরকা লবণ ও লেবুর দ্বারা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টক করা হয়। আমরা বাজারে জৈতুন দেখি বোতলের মধ্যে তা জৈতুনের লাশ বৈকি । আর যে তেল পাওয়া যায় তা ও আসল তেল নয়, আমার মনে হয় যদি আসল জৈতুনের তেল যদি আমাদের লোককে স্বাদ নিতে বলা হয়। তাহলে তা দেখেই নাকচ করে দেব।  আসল জৈতুন তেল কালো ঘোলা হয়। বাজারে যে জৈতুন তেল আমরা বাজারে দেখি তা হল এক কেজি সয়াবিন তেলে ৫০ গ্রাম জৈতুন মিশানো বলে মনে হয়।<a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/200433281-001.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/200433281-001-192x300.jpg" alt="" title="200433281-001" width="192" height="300" class="alignnone size-medium wp-image-26480" /></a></p>
<p>মরক্কোর প্রধান খনিজ সম্পদ ফসফরস, ফসফরসের জন্য বিখ্যাত। রপ্তানি যোগ্য পণ্য, মাছ, ফল, ভেজিটেবুল, কয়েক ধরনের খনিজ পদার্থ। তবে এই দেশে প্রেট্টল ও গ্যাস নাই। যা তাদের কে বাহির থেকে আমদানি করতে হয়। পর্যটন ওদের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সোর্স। ইউরোপ ইউনিয়ন হওয়ার পর বেশির ভাগ ফ্যাক্টরি ইউরোপ থেকে মরক্কোতে স্থানান্তরিত করা হয়। আর তাতে মরক্কোর ও কপাল খোলে যায়। মরক্কোর সর্ব নিম্ন বেতন স্কেলে আমাদের টাকায় দিনে ১০০০ টাকার উপরে।<br />
জনসংখ্যা ৩ কোটি চল্লিশ লাখ, আর আয়তনে ৫ বাংলাদেশের সমান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/munim/26474/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বিজয়ের মাস ; বাবার মুখে শোনা মুক্তিযুদ্ধ (রিপোষ্ট)</title>
		<link>http://amarblog.com/konika/26467</link>
		<comments>http://amarblog.com/konika/26467#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 20:22:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>শারফুদ্দীন</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26467</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/konika/26467><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/flag_of_bangladesh-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>
একাত্তুরে আমার বাবা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কলেজের একজন মুক্তিপাগল ছাত্র। ২০/২১ বছরের তাগড়া যুবক। মিটিং মিছিলে ছিল স্বতঃস্ফুর্ত আস্ফালন। রক্তঝরা দিনগুলির শুরুতেই নাড়ীর টানে ছুটে গেছিলেন গ্রামে। বর্তমানে কক্সবাজার জেলার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/flag_of_bangladesh.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/flag_of_bangladesh.jpg" alt="" title="flag_of_bangladesh" width="500" height="693" class="aligncenter size-full wp-image-26468" /></a><br />
একাত্তুরে আমার বাবা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কলেজের একজন মুক্তিপাগল ছাত্র। ২০/২১ বছরের তাগড়া যুবক। মিটিং মিছিলে ছিল স্বতঃস্ফুর্ত আস্ফালন। রক্তঝরা দিনগুলির শুরুতেই নাড়ীর টানে ছুটে গেছিলেন গ্রামে। বর্তমানে কক্সবাজার জেলার রামু থানার ঈদগড় নামের এক অখ্যাত গ্রাম। সেই সময়কার পার্বত্য চট্টগ্রাম। সারা দেশে জ্বলছিল মুক্তিযুদ্ধের লেলিহান শিখা। বাবা ও কয়েকজন বন্ধু ঠিক করলেন যুদ্ধে যাবেন। রাতের বেলা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে জোয়ান ছেলেদের যুদ্ধে যাওয়ার ডাক দিচ্ছিলেন। তাদের এই কাজ স্হানীয় কিছু কুত্তাদের সহ্য হয় নাই। গভীর রাতে বাবার এক দুরসম্পর্কের আত্মীয় এসে খবর দিল রাজাকার আর পান্জাবীরা আসতেছে উনাদের ধরার জন্য। সেই রাতেই আমার বাবা, কাশেম আংকেল, নুরুল ইসলাম বাংগালী (মুক্তিযুদ্ধে দুর্দান্ত ভূমিকার কারনে এতদঅঞ্চলের লোকজনের কাছে তিনি বাংগালী বলে বেশি পরিচিত), সিরাজ ডা. বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে চলে আসেন বান্দরবানে। নাম লেখাইছিলেন মুক্তিবাহিনীতে, শপথ নিছিলেন বাংলাদেশ স্বাধীন করার। প্রায় একমাস ট্রেনিং নেয়ার পরে এক রাতের অন্ধকারে উনারা ফিরে আসছিলে গ্রামে, দাদীর কাছ থেকে বিদায় নিতে। সেই রাতে দাদী নাকি বিলাপ করে চিতকার করি কান্দি নিশুতি রাতের আসমান জমিন এক করছিলেন।</p>
<p>মুক্তিবাহিনীরা ঘাঁটি গাড়ছিল কালো পাহাড় নামের গহীন অরন্যে ছনখোলার ভিতরে। যুদ্ধ করছিলেন ঈদগাহ্‌, ঈদগড়, উখিয়া, ডুলাহাজারা ও রামুতে। অরন্যের মগ, মুরুং বা চাকমারা তখনো জানেনা যুদ্ধ কি ? শুধু জানে ১৫/২০ জনের একটা দল পান্জাবী মারার জইন্য ফেরারী হইছে। মুরুং রা মুক্তিবাহিনীর খাওয়া দাওয়া সবকিছুর ব্যাপারে তাদের সাহায্যের হাত বাড়াই দিছিল। মুক্তিবাহিনীতে যোগ দিছিল কয়েকজন মুরুং যুবক।</p>
<p>বাবার ভাষায়, সচক্ষে দেখা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছিল ঈদগাহ্‌ বাস ষ্টেশনের পাশে ছোট্ট লোহার ব্রীজটাতে। বাস স্টেশনটা কক্সবাজার শহর থেকে ২৫ কি.মি. আগে । খবর আসছে, কক্সবাজারে পাকি মিলিটারীর একটা দল আসতেছে আর ঈদগাহতে ছিল পাকি দের দুর্বল ডিফেন্স। মুক্তিবাহিনীর কাছে পর্যাপ্ত গোলা বারুদ ছিলনা। পাহাড়ী মুরুংদের পাঠানো হল গ্রামে। গ্রামবাসী তাদের চেরাগের শেষবিন্দু কেরোসিনটুকু ঢেলে দিলো ড্রামে, মুদির দোকানীরা দিল তাদের দোকানের সব কেরোসিন। গ্রামে না হয় আর কোনদিন চেরাগ-ই জ্বলবেনা !!! বন্ধ হল কয়েকটা গ্রামের ডিজেল চালিত রাইসমিল। আমার দাদী দিলেন সারা বছরের খোরাক ২০০ আড়ি ধান বেচা টাকা।</p>
<p>সূর্য্য ডুবতেই চারটা নৌকা নিয়ে মুক্তিবাহিনী রওয়ানা হলো। সারা রাত নৌকা চলল ভাটিতে, ঈদগড় থেকে ঈদগাহ, গন্তব্য-ঈদগাহ্‌ ব্রীজ। ভোর হতে আরো দেরী ছিল। লোহার ব্রীজের কাঠের পাটাতনে কায়দা করে বিছানো হল কয়েক&#8217;শ চটের বস্তা। একজন উঠে গেল বিরাট এক মেহগনি গাছের আগায়। ব্রীজের দুই মাথায় মুক্তি বাহিনীর দুইটা দল বসে আছে, কখন আসবে হায়েনার দল?? কখন মেহগনি গাছের উপর থেকে তাদের দিকে টর্চ মেরে সংকেত দেয়া হবে ???? মিলিটারিরা আসতেছে, গাছের উপর থেকে টর্চ মারা হল, ঢেলে দেয়া হল ড্রামে ড্রামে কেরোসিন ব্রীজের উপরে। হ্যা , মিলিটারির দুইটা ট্রাক উঠে গেছে ব্রীজে। ব্রীজের দুই মাথা থেকে একই সাথে লাগিয়ে দেয়া হল আগুন। রাতের কালো আকাশ লাল হল, প্রচন্ড যুদ্ধ হল। বেরসিক আগুন আর দুই দিক থেকে মুক্তি বাহিনীর আক্রমন !!! ২০/২৫ জন মুক্তি সেনার হাতে শিয়াল কুত্তার মত মরল ৫/৬ ডজন পাইক্যা &#8220;হাইওয়্যান&#8221;।</p>
<p><strong>&#8220;অ - মা - রে&#8221; &#8212;&#8212;&#8211; গগনবিদারী আর্তচিৎকারে সবাই পিছনে ফিরে এলেন। হায়েনার বুলেট বিঁধেচে শান্তির পায়রার বুকে! রক্তে লাল হলো ঈদগাহ্‌ খাল। ভোরের প্রথম আলোয় অন্ধকারে স্তিমিত হল দুটি চোখ, বুকের মানিক হারালেন এক &#8220;মুরুং মা&#8221;। রক্তদিয়ে লেখা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অলিখিত সৈনিক হয়ে গেলেন মঙ্গোলীয়ান বংশধারার এক উপজাতি মুরুং যুবক।</strong><br />
(সামোয়ারে ছাপিত) </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/konika/26467/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>প্রসঙ্গ: কয়েকটি নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রসব কাহিনী</title>
		<link>http://amarblog.com/iftheker/26453</link>
		<comments>http://amarblog.com/iftheker/26453#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 18:14:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ইফ্‌তেখার মোহাম্মদ</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26453</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/iftheker/26453><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/nnnn-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>
আমার ব্লগের এক ব্লগার sharif hossain mauno একটি পোস্ট দিয়েছেন। একজন অভিযোগ করেছেন বিষয়টি একটি রিপোস্ট। উদ্দেশ্য প্রনোদিত এই পোস্টের কিছু জবাব নিচে দিলাম;
১.তারেকের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল সরকারের ভূয়া মামলা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/nnnn.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/nnnn.jpg" alt="" title="KhaledaCo" width="500" height="313" class="alignnone size-full wp-image-26457" /></a></p>
<p>আমার ব্লগের এক ব্লগার <a href="http://amarblog.com/sharif-hossain-mauno/26388"target="_blank">sharif hossain mauno একটি পোস্ট </a>দিয়েছেন। একজন অভিযোগ করেছেন বিষয়টি একটি রিপোস্ট। উদ্দেশ্য প্রনোদিত এই পোস্টের কিছু জবাব নিচে দিলাম;</p>
<blockquote><p>১.তারেকের বিরুদ্ধে বিদেশী দালাল সরকারের ভূয়া মামলা তেরটি আর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পনেরটি।তারেককে শেখ হাসিনা মহাচোর বলে,তাহলে শেখ হাসিনাকে মহা মহা চোর বলা উচিত।কিন্তু তারেক তা বলেনি।</p></blockquote>
<p>১। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫ টি মামলা করা হয়েছে, তালিকা দিতে পারবেন?</p>
<blockquote><p>২.তারেকের বিরুদ্ধে ভূয়া চাদাবাজির মামলা ১ কোটি টাকার আর শেখ হাছিনার বিরুদ্ধে ভুয়া চাদাবজির মামলা ৪ কোটি টাকার।তাহলে তিনি (মহা চোর)*৪। কিন্তু তারেক জিয়া এভাবে কখনো বলেনি।</p></blockquote>
<p>২। তারেক চুরি করেছেন কিনা সে প্রসঙ্গে নাই বা গেলাম। শেখ হাসিনার যে মামলাটির কথা বলছেন, তাতে তিনি এখন অভিযুক্তও নন।</p>
<blockquote><p>৩.তারেক জিয়াকে মামলা দিলেন চোরা দুদক।আর হাছিনাকে ব্যক্তি আজম চৌ।</p></blockquote>
<p>৩। পার্থক্য আজম জে চৌধুরী বাদির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নাই বলে আদালতকে জানিয়েছেন আর দুদক সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছেন। আর দুদক চেয়ারম্যান জেনারেল মশহুদ বিএনপির সময়ই সেনা প্রধান হয়েছেন, জেনারেল হারুনকে অবৈধ ভাবে সরিয়ে। সেই চেয়ারম্যানের অনুমোদন নিয়ে সম্পূর্ন বৈধ ভাবেই মামলা করা হয়েছে।</p>
<blockquote><p>৪.শেখ হাছিনার অভিযোগ, বিগত জোট সরকারের আমলে তারেক জিয়া বিদ্যুত খাতের ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন। প্রথম আলো তা ফলাও করে প্রচার করে।বেইমান মইন ইউ আহমেদ(যেহেতু ক্ষমতা দখল তার কর্তব্যর আওতায় পড়েনা)রেফারেন্স হিসেবে তথ্যটি প্রকাশ করেন।লীগাররা জনে জনে তা ছড়িয়ে দেয়।তাদের তথ্যর সূত্র প্রথম আলোর মতো পত্রিকা।পত্রিকার তথ্যর সূত্র হাছিনার বিবৃতি।বিদেশী পত্রিকা ও তথাকথিত অর্থনীতিবিদদের তথ্যর সূত্র সেনাপ্রধান।এভাবে গোয়েবলসীয় কায়দায় মিথ্যা জনগনের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হয়।মজার ব্যাপার হচ্ছে বিগত সরকারের ৫ বছরে বিদ্যুত খাতের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৫ হাজার কোটি টাকা!<br />
হায়রে বাংলাদেশ!!</p></blockquote>
<p>৪। রেফারেন্স ছাড়া কথা, প্রমান দিলে কথা হতে পারে।</p>
<blockquote><p>৫.নাসিরুদ্দিন হোজ্জা খুব শখ হলো খাসির মাংস খাবেন তাই এককেজি খাসির মাংস কিনে এনে স্ত্রীকে বললেন মসলা পাতি দিয়ে খুব মজা করে রান্না করতে। তারপর তিনি রাজদরবারে চলে গেলেন।স্ত্রী যথারীতি খুবই সুস্বাদু করে রান্না করতে লাগলেন।এক পর্যায়ে লবন দেখতে গিয়ে খাবারটা তার এতো সুস্বাদু লাগল যে,একটু একটু করে চুলার উপর থেকেই খেতে লাগলেন। লোভ ও স্বাদের বশবর্তী হয়ে কখন যে পাতিল খালি হয়ে গেল খেয়ালই ছিলনা।যখন খেয়াল হলো তখন মাংস এক টুকরোও অবশিষ্ট ছিলনা।টেনশনে মাথা খারাপ হবার জোগাড়।হোজ্জা আজ আর জীবন্ত রাখবেনা।ভয়ে ভয়ে একটি ফন্দি আটলেন।হোজ্জা জিঞ্জেস করলে বলবেন যে বিড়াল খেয়ে ফেলেছে।রাতে হোজ্জা আসল ।যথারীতি ভাত থেতে বসে মাংস চাইলেন।স্ত্রী দু:থের ভান করে বিড়ালের মাংস খেয়ে ফেলার ঘটনা বললেন।হোজ্জা বললেন একটুও বাকী নেই?<br />
স্তুী বলল, না সবটুকুই খেল।<br />
হোজ্জা খাবার না খেয়ে উঠে গেল।একটা লাঠি নিয়ে ঘরের কোনায় বসা বিড়ালের মাথায় মারলেন বাড়ি।বিড়াল মারা গেল।হোজ্জা মরা বিড়ালটাকে দাড়িপাল্লায় ওজন করলেন দেখলেন বরাবর ১কেজি।স্ত্রীকে বললেন,এটাতো বিড়াল তাইনা?<br />
স্ত্রী বলল,হ্যা!<br />
হোজ্জা বলল,এটা যদি বিড়াল হয় তবে ১কেজি গোশত কই?আর এটা যদি এককেজি গোশত হয় তবে বিড়াল কই?</p></blockquote>
<p>৫। হোজ্জা =  দেশের মানুষ<br />
হোজ্জার বউ = বিএনপি জামাত জোট<br />
বিড়াল = বিএনপির সংস্কারপন্থি নেতারা</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/iftheker/26453/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখান - যুদ্ধাপরাধী দলকে ভোট দানে বিরত থাকুন।</title>
		<link>http://amarblog.com/eskimo/26448</link>
		<comments>http://amarblog.com/eskimo/26448#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 18:00:53 +0000</pubDate>
		<dc:creator>আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26448</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/eskimo/26448><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/anti_jamat.bmp class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>
 সর্বশেষ খবরের দেখা যাচ্ছে - মুক্তিযুদ্ধে বিরোধীতাকারী এবং যুদ্ধাপরাধীদের দল বাজাই (জামায়াত) বিএনপির বদন্যতায় ৩৬টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। জনসমর্থনহীন এই দলটি বড় দুইটির দলের অপ্রয়োজনীয় কলহের সুযোগে বিএনপির ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/anti_jamat.bmp"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/anti_jamat.bmp" alt="" title="anti_jamat" class="alignnone size-medium wp-image-26449" /></a><br />
 সর্বশেষ খবরের দেখা যাচ্ছে - মুক্তিযুদ্ধে বিরোধীতাকারী এবং যুদ্ধাপরাধীদের দল বাজাই (জামায়াত) বিএনপির বদন্যতায় ৩৬টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। জনসমর্থনহীন এই দলটি বড় দুইটির দলের অপ্রয়োজনীয় কলহের সুযোগে বিএনপির সমর্থকদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আমাদের দেশকে জঙ্গীবাদ আর মৌলবাদের দিকে টেনে নিতে চায়। একটা নীতিহীন দল হিসাবে জামায়াত শুধু ক্ষমতার জন্যেই যে কোন দলের সাথে জোট করতে কুন্ঠিত নয়। কিন্তু শুধু মাত্র মুক্তিযুদ্ধের বিষয়ে তাদের কোন আপোষ নেই - স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর চাপের মুখে যদিও মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করেছে - কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে - এরা সামান্য সুযোগ পেলেই প্রকাশ্যই মুক্তিযুদ্ধাদের পিঠে লাথি মারে। </p>
<p>বাংলাদেশের রাজনীতির গুনগত পরিবর্তনের জন্যে জামায়াতের নীতিহীন জোট বাধার সংস্কৃতিকে &#8220;না&#8221; বলুন। </p>
<p>বিজয়ের মাসে শহীদদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে জামায়াতকে ভোট দানে বিরত থাকুন। </p>
<p>নীচের তালিকার দিকে লক্ষ্য রাখুন: </p>
<p>১. দলের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (পাবনা-১),<br />
২. সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (ফরিদপুর-৩),<br />
৩. সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এম কামারুজ্জামান (শেরপুর-৩),<br />
৪. এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২),<br />
৫. কর্ম-পরিষদের সদস্য মাওলানা আবদুস সুবহান (পাবনা-৫),<br />
৬. মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (পিরোজপুর-১),<br />
৭. ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (কুমিল্লা-১১),<br />
৮. জামায়াতের ঢাকা মহানগরী শাখার সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আজাদ (কক্সবাজার-২),<br />
৯. মোহাম্মদ এম এ হাকিম (ঠাকুরগাঁও-২),<br />
১০. মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ (দিনাজপুর-১),<br />
১১. আনোয়ারুল ইসলাম (দিনাজপুর-৬),<br />
১২. মনিরুজ্জামান মন্টু (নীলফামারী-২),<br />
১৩. আবদুল লতিফ (নীলফামারী-৩),<br />
১৪. আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন (লারমনিরহাট-১),<br />
১৫. অধ্যাপক আবদুল গনি (রংপুর-১),<br />
১৬. শাহ মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান (রংপুর-৫),<br />
১৭. নুর আলম মুকুল (কুড়িগ্রাম-৪),<br />
১৮. মাওলানা আবদুল আজিজ (গাইবান্ধা-১),<br />
১৯. অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩),<br />
২০. মাওলানা আজিজুর রহমান (যশোর-১),<br />
২১. আবু সাইদ মো. সাহাদাৎ হোসাইন (যশোর-২),<br />
২২. অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ (বাগেরহাট-৩),<br />
২৩. অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম (বাগেরহাট-৪),<br />
২৪. মিয়া গোলাম পারওয়ার (খুলনা-৫),<br />
২৫. শাহ মো. রুহুল কুদ্দুস (খুলনা-৬),<br />
২৬. অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ (সাতক্ষীরা-১),<br />
২৭. মাওলানা আব্দুল খালেক মন্ডল (সাতক্ষীরা-২),<br />
২৮. এ এম রিয়াছাত আলী বিশ্বাস (সাতক্ষীরা-৩),<br />
২৯. গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪),<br />
৩০. অধ্যাপক জসিমউদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬),<br />
৩১. ডা. সুলতান আহমেদ (বরগুনা-২),<br />
৩২. মাওলানা শামসুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৪),<br />
৩৩. মাওলানা ফরিদউদ্দিন (সিলেট-৫),<br />
৩৪. মাওলানা হাবিবুর রহমান (সিলেট-৬),<br />
৩৫. মো. হাবিবুর রহমান ( চুয়াডাঙ্গা-২) ও<br />
৩৬. মীর কাশেম আলী (ঢাকা-৮ ) প্রমুখ। </p>
<p>আসুন দলমত নির্বিশেষে অন্ধকারের শক্তি জামায়াতকে - &#8220;না&#8221; বলি। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/eskimo/26448/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>হিডেনের কোলাজ ০০৩</title>
		<link>http://amarblog.com/hiddenstreet/26444</link>
		<comments>http://amarblog.com/hiddenstreet/26444#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 17:50:49 +0000</pubDate>
		<dc:creator>হিডেন স্ট্রিট</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কার্টুন]]></category>

		<category><![CDATA[রম্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26444</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/hiddenstreet/26444><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/000002-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>সামান্যের জন্য ফাউল করে ফেলেছিলাম এটা করতে গিয়ে। আবার সাইজ করে দিলাম। 

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first">সামান্যের জন্য ফাউল করে ফেলেছিলাম এটা করতে গিয়ে। আবার সাইজ করে দিলাম। </p>
<p><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/000002.jpg" alt="" /></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/hiddenstreet/26444/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শুভ্র ডানার সোনালী হৃদয়ের নার্গিস</title>
		<link>http://amarblog.com/maverick/26440</link>
		<comments>http://amarblog.com/maverick/26440#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 17:23:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>মাভেরিক</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অণুগল্প]]></category>

		<category><![CDATA[ইতিহাস]]></category>

		<category><![CDATA[বিদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26440</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/maverick/26440><img src=http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/0/0f/Jonquils02_aug_2007.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a>
অনেক অনেক দিন আগের কথা। গ্রীসের বন পাহাড়ে ঘুরে বেড়াত ইকো (Echo) নামের এক পরী (Nymph)। একসময় সে ছিল দেবীরানী জুনোর (Juno) সহচরী, বাস করত ওলিম্পাস পর্বতের (Mount Olympus) দেবালয়ে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><img src="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/0/0f/Jonquils02_aug_2007.jpg" height=350 /></p>
<p>অনেক অনেক দিন আগের কথা। গ্রীসের বন পাহাড়ে ঘুরে বেড়াত ইকো (Echo) নামের এক পরী (Nymph)। একসময় সে ছিল দেবীরানী জুনোর (Juno) সহচরী, বাস করত ওলিম্পাস পর্বতের (Mount Olympus) দেবালয়ে (abode of gods)। তার চেহারা ছিল ধারালো সুন্দর, কিন্তু সেই সাথে তার ক্ষুরধার একটি কন্ঠও ছিল। কথা বলতে খুব ভালোবাসত সে, যেকোন ব্যাপারে তার কথাটিই ছিল শেষ কথা। তার আচরণে বিরক্ত হয়ে জুনো একদিন তাকে দেবালয় থেকে বের করে দিল, সাথে এক অভিশাপ: নিজ থেকে আর কোন কথা বলতে পারবে না ইকো, কেউ কথা বললে শুধু শেষ কথাটি পুনরাবৃত্তি করতে পারবে।</p>
<p>বনবাদাড়ে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়ায় ইকো। একদিন বনে শিকার করতে আসে আসে খুব সুন্দর চেহারার এক তরুণ, নাম নার্সিসাস (Narcissus)। প্রথম দেখায় ইকো ছেলেটি ভালোবেসে ফেলে আর তাকে অনুসরণ করতে থাকে। তার খুব ইচ্ছে কোমল স্বরে নানা কথা বলে তরুণের সাথে, কিন্তু তার তো সে ক্ষমতা নেই। অস্থিরভাবে তাই সে অপেক্ষা করতে থাকে নার্সিসাস কোন কথা বলে কি না, তাহলে সেও কিছু বলতে পারবে। </p>
<p>একদিন তরুণটি শিকারী দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়; সে চিৎকার করে, &#8220;কে এখানে?&#8221;<br />
ইকো উত্তর দেয়, &#8220;এখানে।&#8221;<br />
নার্সিসাস কাউকে দেখতে না পেয়ে বলে, &#8220;সামনে আস।&#8221;<br />
&#8220;আস,&#8221; ইকো প্রত্ত্যুত্তর করে।<br />
&#8220;কেন তুমি এড়িয়ে যাচ্ছ?&#8221;<br />
&#8220;এড়িয়ে যাচ্ছ।&#8221;<br />
&#8220;সামনে আস, আমি তোমাকে দেখি।&#8221;<br />
&#8220;তোমাকে দেখি,&#8221; বলে দু বাহু মেলে নার্সিসাসের দিকে ছুটে আসে ইকো।<br />
&#8220;না, না, আমাকে ছুঁয়ো না, তার চেয়ে মরে যাব,&#8221; যুবক পিছু হটে।<br />
&#8220;মরে যাব।&#8221;<br />
&#8220;না, না, সরে যাও এক্ষুণি।&#8221; </p>
<p>বিষাদমাখা হৃদয়ে লজ্জারাঙা মুখ আর জলভরা চোখ ঢাকতে ইকো চলে যায় বৃক্ষের আড়ালে। তারপর থেকে তাকে আর কখনো খোলা জায়গায় দেখা যায় না। সে বাস করতে থাকে গুহা আর পাহাড়ের ঢালে। কষ্টে তার দেহ ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়, হাড়গুলি পরিণত হয় রূক্ষ পাথরে। শুধু থেকে যায় তার স্বর, আর কথা বলার সেই অভ্যাসটা। তোমরা যদি কখনো পাহাড় দেখতে যাও, চিৎকার করে দেখ, উত্তরে ইকোর গলা শুনতে পাবে। </p>
<p>আর নার্সিসাস কেন এরকম আচরণ করল? আরো অনেকদিন আগে কিশোরী আরেক মেয়ে ভালোবেসেছিল নার্সিসাসকে। কিন্তু নার্সিসাস ছিল অসম্ভব সুন্দর, কাউকেই পাত্তা দিত না সে। তার সব চিন্তা ছিল শুধু নিজেকে নিয়ে। কিশোরী তাই অভিশাপ দেয়, কখনো যেন নার্সিসাসের জীবনে ভালোবাসা আসে, কিন্তু  সেই ভালোবাসার প্রতিদান যেন না পায় সে। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের দেবী নেমেসিস (Nemesis) সে কথা শুনতে পায়।</p>
<p>সেই বিজন বনে ছিল এক ঝর্ণা, রূপার মত ঝকঝকে স্বচ্ছ তার পানি। মেষপালকরা কখনো তাদের ভেড়ার পালগুলি তার উপর দিয়ে তাড়িয়ে নিত না, তার পাশে বিশ্রাম নিত না কোন পাহাড়ী জন্তু, বৃক্ষরাও তার উপর কখনো ফেলত না কোন শাখা বা পত্র। শুধু  সবুজ সতেজ ঘাস জন্মাত তার ধারে, আর শিলা পাথর তাকে রক্ষা করত সূর্যের উত্তাপ থেকে।  </p>
<p>একদিন সেখানে আসে শিকারী এক তরুণ, ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত। আঁজলা ভরে পানি পান করার সময় পানিতে সে দেখে নিজের ছায়া। কী সুন্দর জলের আত্মা, ভাবে সে। মুগ্ধ হয়ে দেখে ছায়া, প্রেমে পড়ে যায় নিজের। সে ছুঁতে যায়, কিন্তু হারিয়ে যায় জলের আত্মা। আবার ফিরে আসে একটু পরে, নতুন মুগ্ধতা নিয়ে। </p>
<p>তরুণ নার্সিসাস উঠতে পারে না সেখান থেকে। ভুলে যায় সে ক্ষুধা তৃষ্ণা, পাগলের মত বারবার ধরতে যায় আত্মাকে, কিন্তু প্রতিবারই তা হারিয়ে যায়। তাই আর ছোঁয় না সে, শুধু মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। দিনের পর দিন কেটে যায়, কষ্টে মথিত হয় তার হৃদ্য়, ধীরে ধীরে শুকিয়ে যেতে থাকে দেহ; তারপর একদিন পরিণত হয় সে এক বৃক্ষে। </p>
<p>এখনো তোমরা ইকো পাহাড়ের কাছে গেলে ঝর্ণার পাশে দেখবে সুন্দর এক বৃক্ষ। এত সুন্দর, দেখলেই চিনতে পারবে। আর যদি বসন্তকালে যাও, দেখবে ঝর্ণার গায়ে ঝরে ঝরে পড়ছে রূপালি ফুল। শুধু ফুলের হৃদয়টা সোনালী, কারণ সেখানে এখনও রয়ে গেছে অতৃপ্ত ভালোবাসা।</p>
<p>___________________________________________________________<br />
ও হ্যাঁ, নার্সিসাস ফুলকে আমরা বলি নার্গিস। অনেকে ড্যাফোডিলও বলে। আর কোন মানুষ যদি পাগলের মত আত্মপ্রেমে মোহিত থাকে, একে বলে নার্সিসিজম (Narcissism)।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/maverick/26440/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>চার বাতাসের ঘরবাড়ি</title>
		<link>http://amarblog.com/lastbench115/26433</link>
		<comments>http://amarblog.com/lastbench115/26433#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 16:39:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>তানভীর রাতুল</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[কবিতা]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26433</guid>
		<description><![CDATA[ঝরাপাতা
নড়বড়ে পায়ে রাতজাগা যুবকেরা জলসাশেষে আর
ঘরে ফেরার পথে তোমার জানালায় ছোড়ে না পাথর।
তুমি বেলা করে ঘুমাও আর সেই ব্যস্ত দরজা
আলিঙ্গন করে তোমার সিঁড়ি। কেউ
জিজ্ঞাসা করে না কিভাবে নিদ্রিত তুমি যখন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><strong>ঝরাপাতা</strong></p>
<p>নড়বড়ে পায়ে রাতজাগা যুবকেরা জলসাশেষে আর<br />
ঘরে ফেরার পথে তোমার জানালায় ছোড়ে না পাথর।<br />
তুমি বেলা করে ঘুমাও আর সেই ব্যস্ত দরজা<br />
আলিঙ্গন করে তোমার সিঁড়ি। কেউ</p>
<p>জিজ্ঞাসা করে না কিভাবে নিদ্রিত তুমি যখন তারা মরছে<br />
সারারাত তোমার প্রেমে। সময় বদলায়।<br />
বয়স বেড়েছে আর কেউ বাল দিয়েও না পোছে।<br />
তুমি কাঁদবে প্রতিটা পুরুষের তরে যারা ছেড়েছে তোমায়</p>
<p>যেন গ্যালীয় বাতাস ভেসে গেল<br />
চন্দ্রহীন রাতে ওই নির্জন সড়ক বরাবরে।<br />
যে তপ্ত লালসা, ছড়ায় ঘোড়ারোগ<br />
জ্বলবে তোমার আলসারাক্রান্ত হৃদয়কে ঘিরে</p>
<p>আর তুমি কাঁদবে সেইসব যুবকের তরে<br />
যারা ভালোবাসে চিরহরিৎ আর পঞ্চশিখ প্রাণ<br />
কিন্তু শুকনো পাতা ছুড়ে মারে<br />
পূর্বাতাসে, ঐ শীতের দুলহান।</p>
<p><strong>মূল কবিতা</strong></p>
<p><strong>Dry Leaves</strong></p>
<p>Young men stumbling home from parties<br />
don&#8217;t throw pebbles at your windows now.<br />
You sleep till dawn and that busy door<br />
of yours now hugs the step. No one</p>
<p>asks how you can sleep when they are dying<br />
all night long for love of you. Times change.<br />
You&#8217;re old and no one gives a damn.<br />
You&#8217;ll weep at all the men who have deserted you</p>
<p>as gales from Thrace roar down<br />
that empty on moonless nights.<br />
The hot lust which sends mares mad<br />
will flare around your ulcerated heart</p>
<p>and you&#8217;ll cry out at the young men<br />
who love the ivy and the dark green myrtle<br />
but who throw the dry leaves<br />
into the East wind, that bride of winter.</p>
<p><strong>একদৃষ্টিতে অনুবাদ যেন দ্বৈতনৃত্য, দুই শরীক পরস্পরের নির্ভরশীল যেমন কিছু নাঁচে এই দুজনের এক্জন থাকে মূল ভূমিকায় আর অপরজন থাকে অনুসরণের - তারপরও পারস্পরিক তাৎক্ষণিক যোগাযোগের সুযোগের কারণে আর সেই দৃষ্টিতে এই তুলনাকে দেখলে নৃত্য অনেক সহজ </p>
<p>বিষয়টার ঠিক সমার্থক পরবর্তী কবিতায় &#8216;Prologue&#8217; এর উপযুক্ত/চলনসই অর্থ নিয়ে যে দ্বন্দ আমাকে ভাবিয়েছে। ধ্রুপদী শব্দের প্রতি কখনো কখনো প্রেম থেকে স্বীকার করব সবরকমের বিবেচনা বর্জন করা দরকার অনুবাদের সময়। যে কোন চিন্তা আর তার ফলস্বরূপ যে পরিবর্তন অনুবাদে আসে কে জানে তার কারণই হয়তো মূল রচনার সচেতন প্রয়াস, তখন? এতদিনে এত্টুকু বিদিত যে অনুবাদকের সীমা অনুবাদের রূপ নির্মাণ করে</p>
<p>&#8216;ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার&#8217;এর সদস্যদের মধ্যে গঠনে অনেকসময় এতটাই সাদৃশ্য থাকে - &#8216;ভাবানুবাদ&#8217; নামের পেছনে লুকানো যে কোন বহিরাগত শত্রু&#8217;র যে কোন প্রকার অজুহাতই অগ্রহণযোগ্য। আপাতত বাকি থাকল যে প্রশ্নগুলো তার একটা হলো শব্দের সঠিক সমার্থকতা নিয়ে, এক্ষেত্রে এর থেকেও জরুরী বিষয় মানি সমার্থক গুলোর পেছনের আবেগ আর নাজিলের মুহুর্তের সংশ্লেষণ। আরে শেষ বাক্যাংশটা তো দেখি আরেক দ্বিধার জন্ম; এই দ্বিধান্বিত সময়ের সিদ্ধান্ত নির্ভর করে একাধিক বিষষের উপর আর সেগুলোই হলো অনুবাদকের সীমানার স্থানাংক</strong></p>
<p><strong>চৌবায়ু ভবন</strong><br />
জন বুচানের একটি উপন্যাসের দশমিকীকরা</p>
<p>নান্দী</p>
<p>দার্শনিক ইতিহাসবিদ,<br />
ঘটনার ক্রমে অনাবৃত রাত,<br />
সাধারণ পাখি, বারূদ,<br />
পেঁচার নির্ভুল অবস্থা।<br />
জেনারেল ম্যানেজারের মনোবৈকল্য<br />
নিয়ে রায় দেয়া<br />
আর গ্রীষ্ম বিলম্ব করা<br />
কড়া পাহারার কারাগারে। এলিসন,<br />
আমি আজো ভুলি নাই সেই আদার<br />
সিগারেট আর প্রতিত্তুরে<br />
মরিসের মুখ। আমি অসুস্থ ছিলাম্<br />
তুমি সভ্য করেছো সেই একাকীত্ব।<br />
ব্যক্তিগত প্রাকৃতিক দৃশ্যের প্রথা<br />
নিয়ে যাও পৃথিবীর আর্তনাদের বাইরে।<br />
আমাকে কবিতায় একটা উপশম লেখো।<br />
দূরে যাও। আরো দূরে।<br />
খোজো সেই ঝলক।</p>
<p>অধ্যায় ১ - উত্তাপ</p>
<p>বীচেনের সরাইখানা।<br />
গরম রাইয়ের পনির আর পেঁয়াজের রুটি,<br />
একটা চওড়া লাল পথ<br />
বিট আর পানি শাকের ক্ষেতে।<br />
মানচিত্র নেই, শুধু পোকা আর নক্ষত্র<br />
আর পাইন গাছ, জার্মান আবহাওয়া<br />
আনন্দদায়ী অথচ জৌলুসহীন।<br />
চাষিটা হেসেছিল। উপায়হীন।<br />
কিছু একটা তার অপেক্ষায় আছে,<br />
তীব্র নীল চোখের একটু ধ্বংস,<br />
ধাঁধার উদারতা<br />
আর রাজনৈতিকের ঝগড়া।<br />
তার হৃদয়ের কথা বলেছিল অচেনা জিভ।</p>
<p>অধ্যায় ২ - শিকার</p>
<p>দিনের আলো আর মখমলী প্রভাত,<br />
ডিম ভাজি আর নীল গ্রানাইট।<br />
আর মন ছিল কালো এক পাথর।<br />
সত্যি কি সেখানে ছিল কোন লাশ?<br />
হয়তো শয়তানী মনোভাব<br />
নয় সুডৌল আর নরমকে ভেঙে ফেলা?<br />
সে দশ মিনিট থামল গাড়ির কারখানার পাশে<br />
যেখানে সাইদকে পোড়ানো হয়েছিল।<br />
সে পরখ করেছে যুবরাজের হাত<br />
কায়রো, বীস্, ভার্বেনা<br />
আগাপ্যানথাস-এ, সেই তপ্ত নি:শ্বাস।<br />
সে পূর্ণ হয়েছে । কিন্তু তারপর?</p>
<p>অধ্যায় ৩ - নিয়তি</p>
<p>স্ট্রবেরি, ফিরোজা তুষারের ঢেউ,<br />
তৃপ্তিকর গরম খাবার, সেই একই কুমড়া<br />
শুকাচ্ছে চৌকাঠে, সবুজ পানি।<br />
বিকাল প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল<br />
গন্ধক স্নানে নিরানন্দ হওয়ার কথা ভেবে<br />
তার(স্ত্রী) ইংরাজ বন্ধুর সাথে। চিঠি<br />
বলিভিয়া, উরুগুয়ে, স্কটল্যান্ড বরাবরে।<br />
আত্মার নিবিড় প্রত্যাখ্যান।</p>
<p>অধ্যায় ৪- কঠিন</p>
<p>মানে কিছু না। কিছুই না।<br />
বুঝতে হলে তোমাকে যেতে হবে<br />
ঝিকিমিকি আলোর তৃণভূমি।</p>
<p>অধ্যায় ৫ - বিগত</p>
<p>সূর্য, পথ, পৃথিবী,<br />
শরীর, খাদ্য, ঘুম, প্রশ্ন,<br />
বিচার, ওষুদ,<br />
একটা রাইফেলের গুলি, অনন্ত চলা,<br />
ওয়াল্টার স্যাভেজ ল্যান্ডরের কাজ,<br />
জনতার ঘর, বাছুরের মাংশ, ছাগল, চা,<br />
সঠিক সরকার , বেঠিক সরকার,<br />
পুরনো জাদু, নতুন ঝাড়ু,<br />
দেয়ালের সামনে এক গুলিবিদ্ধ রমণী,<br />
চুক্তি, বিমান, ঘটনার<br />
যুক্তি, ঐ ভাবগম্ভীর নদী,<br />
সীমানার উপরে একটি সমাধিফলক।</p>
<p>অধ্যায় ৬ - বরষা</p>
<p>তারা স্বাচ্ছন্দ্য প্রত্যাশা করে নি।<br />
তারা ঘুরে দাড়াল<br />
বর্ণহীন গ্যাসের দীপ্তিতে,<br />
জনাবের সন্দেহ<br />
আর সমতল জার্মান পরিখায়।<br />
তার (স্ত্রী) গাড়ি মেরামত অযোগ্য।<br />
সে কফির প্রস্তাব দিল।<br />
&#8216;আমি আপনাকে চিনি।&#8217; &#8216;কিভাবে?&#8217;<br />
&#8216;যুবরাজ, সেই সন্ধ্যায়&#8230;&#8217;<br />
প্রশ্ন। উত্তর। দু:সংবাদ।<br />
তার নীল চোখের আলো<br />
ভেদ করে হৃদয়।</p>
<p>অধ্যায় ৭ - বিহীন</p>
<p>পরিস্থিতির কোমনীয়তা।<br />
একটা জাতির যৌবন।<br />
যশের খেলনার দোকান।<br />
পুরাতন, ভয়ানক খেলা।<br />
উন্মত্ত হাততালি।<br />
কারণের প্রতি নিষ্ঠা।<br />
একটি ট্রেনের ধোঁয়া।<br />
ভূট্টাক্ষেত সমতল।<br />
নেকড়ের পেয়ালা।<br />
ঝুলে থাকা খামার বালক।<br />
হৃদয় একটা পাথর।<br />
বছরেরা একাকী।<br />
একটা মুখের ছবি।<br />
মানুষের আলিঙ্গনের করুণা।</p>
<p>অধ্যায় ৮ - মেরামত</p>
<p>বস্তাটা তার মাথার উপর।<br />
তার শেষ মুহুর্ত,<br />
নেড়ি কুত্তার মতো দেখে।<br />
পায়খানাঘর, রক্ত,<br />
দুটো পোড়া তার।<br />
কেমব্রিজের স্মৃতি,<br />
ছাঁদের উপরে সোডার পানি,<br />
একটি নিদ্রালু বেড়াল।<br />
ট্রিগারের শব্দ<br />
তার মাথার পেছনে।<br />
একটা খোলা জানালা।<br />
বন্দুক। একটি কচ্ছপের ঝাঁপ।</p>
<p>অধ্যায় ৯ - রজনী</p>
<p>আমরা আশা করি এক ধরনের,<br />
কিন্তু একমাত্র সঙ্গীত<br />
হলো পাগলাটে শব্দ,<br />
দর্শন আর দুর্ঘটনার,<br />
দুর্যোগ আর পরিবর্তনের,<br />
এক দুর্লভ কালো কৌতুক<br />
কদাকার বিষয়<br />
আর রাগান্বিত আলোর<br />
নিকটবর্তী এক মাঠে।</p>
<p>অধ্যায় ১০ - অলৌকিক আভা</p>
<p>এত ছোট বিষয়<br />
যে নিদ্রার ক্ষুদ্র পরিসর,<br />
তথাপি তা গোপন ছিল তার সাথে।<br />
সে হেটেছিল ফাঁকা রাস্তা।<br />
ঝলসানো তপ্ত নি:শ্বাস।<br />
নর্দমার আবর্জনা।<br />
একটা সাইকেল। পরিবর্জিত<br />
নক্ষত্রের মশাল।</p>
<p>অধ্যায় ১১ - খুন</p>
<p>সমুদ্র-বিবমিষা, ঝিমঝিমে মাথা,<br />
ভীষণ স্ফীত, মৌচাক<br />
মেঘ ছড়িয়ে পড়ছে। সময়ের<br />
অনুবীক্ষণ। নিছক পুরাকীর্তির ধুলা<br />
তার(স্ত্রী) প্রেমিক এখন। সে(স্ত্রী) ছিল এক নেকড়ে,<br />
বিচিত্র, বেপরোয়া। রমণীরা<br />
ছিল ঘোড়ার মত, খন্ডিত হবার লক্ষ্যে।<br />
অস্বাভাবিক মেয়ে তা হলুদাভ বাদামী চুল<br />
জোর করে বেধে রাখে, কম্পমান<br />
কাউন্টেস, জ্যানেট, ছবির মতো<br />
মিস স্কোআর&#8230; সেই মরিয়া<br />
তপ্ত বিশ্বাস। তার(স্ত্রী) হৃদয়ের ভারসাম্য<br />
ছোঁ মারা বাজপাখির মতন।<br />
সঙ্গমের বন্য নিবৃত্তি।</p>
<p>অধ্যায় ১২ - রশি</p>
<p>ইংরাজ লোকটা বাড়িটাকে পর্যবেক্ষণে রাখে<br />
আর শেষে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে আসে।<br />
সতর্কভাবে করা তাই নেই সংকেত।<br />
সেখানে মানুষের উপস্থিতির কোন প্রমাণ নেই।<br />
তাহলে দূরের ঘন্টার মানে কি দাড়াল?<br />
সেই বিকট নিশ্চয়তা। থেমে থাকা অজ্ঞান চিরকুট।<br />
দ্বিখন্ডিত চুনাপাথর। ঘোরানো সিড়ি। আলো।<br />
একটা খোলা দরজা। ভেতরে, পঁচাতক্তা<br />
আর কাগজ খসে দেয়ালে, গন্ধটা<br />
নাপিতের দোকানের, ধীর গতিতে<br />
ছাদের পানি আর ঐ ক্লিক,<br />
যেন গড়িয়ে পড়ছে ঘড়ি।</p>
<p>অধ্যায় ১৩ - গৃহ</p>
<p>শহর জ্বলে উঠল দিনের আলোয়<br />
যখন ওয়েটার নিয়ে এল সকালের কাগজ,<br />
সেখান থেকে তাকাল এক মুখ&#8230;ওহ,<br />
সেটা উদ্ভদ হাস্যকর। তার(স্ত্রী) স্নায়ু,<br />
ডাক্তার বলল, নাজুক।<br />
সে ছিল সভ্য, ইশ্বরের কৃপা,<br />
যদি হুইস্কির-গন্ধ। কিন্তু&#8230; লোকটা<br />
ছিল চেনাজানা। তার নাম&#8230;<br />
কি? দাড়ি, সকালের পোশাক&#8230;<br />
সে(স্ত্রী)দ্বিধান্বিত। দূরবর্তী ভূগর্ভ।<br />
পুরুষ আর নারীর এক দীর্ঘ শিখা<br />
দিল মগ্ন চুম্বন, সেই হাজার গর্জন<br />
হৃদয়ের ভেতর।</p>
<p>শেষের স্তবক</p>
<p>প্রায় অন্ধকার। শেষ গ্রাবরেখা।<br />
উত্তল, সন্ধ্যালোক, সম্ভাবনা।<br />
আলো, বাহন, মালসামান।<br />
তোমার স্বপ্ন শেষে<br />
অনুভব করেছ সাধারণ মন্ত্র<br />
এসব তোমাকে করেছে আবার যৌবন।<br />
তুমি হতে পার নশ্বর এখন।</p>
<p>উপরের কবিতা দুটো মার্ক হ্যাডনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ &#8216;সবাক ঘোড়া আর বিষাদ বালিকা আর সাগরতলের গ্রাম&#8217; ( The Talking Horse and the Sad Girl and the Village Under the Sea) থেকে নেয়া। হ্যাডনের কবিতার অন্ধকার কৌতুক আমার নজরে পড়ে। &#8216;চৌবায়ু ভবন&#8217; ( The House of the Four Winds) কবিতাটির ভাষা/ভাব কতটা সরল/ঘন এসব প্রশ্নের বাইরে তথ্যগত বিষয় হলো এটা একটা উপন্যাসকে পাঁচ পৃষ্ঠায় ধরায় প্রচেষ্টা, সফল কি বিফল তা বোঝা যাবে না মূল উপন্যাস না পড়তে, যা তেমন জরুরীও নয়। আর আমার তরফ থেকে জানাই নামের(ব্যক্তি, স্থান সবকিছুর) অনুবাদকে আমি গ্রাহ্য করি না, বিষয়টা আমার কাছে হাস্যকর লাগে। আর বন্ধনী ব্যবহার করেছি কয়েক জায়গায় বাংলা সর্বনামের তুলনামূলক দুর্বলতা&#8217;র কারণে</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/lastbench115/26433/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>অভিযাত্রীর ডায়েরী - ১ম পর্ব (যাত্রা শুরু)</title>
		<link>http://amarblog.com/souravkoley/26409</link>
		<comments>http://amarblog.com/souravkoley/26409#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 16:32:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Sourav Koley</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আলোচনা]]></category>

		<category><![CDATA[উপন্যাস]]></category>

		<category><![CDATA[দিনলিপি]]></category>

		<category><![CDATA[ধারাবাহিক]]></category>

		<category><![CDATA[প্রবাস কথা]]></category>

		<category><![CDATA[বিদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>

		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<category><![CDATA[ভ্রমন কাহিনী]]></category>

		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<category><![CDATA[স্মৃতিকথা]]></category>

		<category><![CDATA[adventure]]></category>

		<category><![CDATA[hill]]></category>

		<category><![CDATA[sikkim]]></category>

		<category><![CDATA[travel]]></category>

		<category><![CDATA[trekking]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26409</guid>
		<description><![CDATA[<a href=http://amarblog.com/souravkoley/26409><img src=http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/tour-0591-150x150.jpg class=imgtfe hspace=5 align=left width=100  border=0></a> অনেককেই দেখেছি, আমারব্লগে ভ্রমণকাহিনী লিখে থাকেন। আমিও একটা দিলাম। যদি ভাল লাগে, জানাবেন, বিস্তারিত প্রকাশ করব।
 আমার একটু ঘুরে বেড়াবার নেশা আছে। ঠিক ঘুরে বেড়ানো নয়, বলতে পারেন প্রকৃতিকে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first"><a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/tour-0591.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/tour-0591.jpg" alt="" title="A part of Mt. Kanchendzonga (8350 m.)" width="368" height="263" class="alignleft size-full wp-image-26417" /></a> অনেককেই দেখেছি, আমারব্লগে ভ্রমণকাহিনী লিখে থাকেন। আমিও একটা দিলাম। যদি ভাল লাগে, জানাবেন, বিস্তারিত প্রকাশ করব।</p>
<p> আমার একটু ঘুরে বেড়াবার নেশা আছে। ঠিক ঘুরে বেড়ানো নয়, বলতে পারেন প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্য সেই প্রকৃতিরই ছাত্র হয়ে আমরা কয়েকজন মাঝে মধ্যেই বেড়িয়ে পড়ি অচেনাকে চেনার জন্য। আমাদের একটা ক্লাব আছে, আমরা প্রায়ই হুটহাট করে মাউন্টেনিয়ারিং, ট্রেকিং বা রক ক্লাইম্বিং করতে বেড়িয়ে পড়ি; যেমন এবারে বেড়িয়েছিলাম জোংরি(Dzongri) গোয়েচা-লা(Goecha-La) -র উদ্দেশ্যে। জায়গাটা পশ্চিম সিকিমে। এখানে ট্রেকিং-এর প্ল্যানটা অনেকদিন আগেই ঠিক করা ছিল। যাওয়া-আসা, সব মিলিয়ে মোট ১২ দিনের যাত্রা। সঙ্গের জিনিসপত্র বলতে আমি আমার নীল-কালো রুকস্যাকটায় আমার ১২ দিনের রেশন, অর্থাৎ চাল, ডাল, তেল, নুন এইসব নিয়েছি। দু সেট জামাকাপড়, টুপি, বরফের জ্যাকেট, সানগ্লাস, কিছু শুকনো খাবার, দরকারী ওষুধপত্র নিয়ে নিয়েছি। এছাড়া, কিছু দরকারী সরঞ্জাম, যেমন, ম্যাপ, কম্পাস, দড়ি, ডিজিটাল থার্মোমিটার(আবহাওয়ার তাপমাত্রা দেখার জন্য), একটা লাইটার, টর্চ -এসবও নিয়ে নিয়েছি। ইচ্ছে করেই দাড়ি কামানোর সরঞ্জাম নিইনি, তার কারণ, ওখানে দাড়ি যত বড় থাকবে ততই ভালো। ওখানে বায়ুস্তর অনেক পাতলা, ওজোনস্তরের ওপরে। ফলে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি গায়ের চামড়া পুড়িয়ে দেবে। গালের দাড়ি সেই রশ্মিকে অনেকটাই আটকাবে। সে যাই হোক, সঙ্গে সচিত্র পরিচয়পত্র আর সিকিম সরকারের অনুমতিপত্র অবশ্যই নিতে হয়েছে। আমি তৈরি, এবার যাত্রা শুরুর পালা।<br />
         ১৬ই অক্টোবর আমরা হাওড়া স্টেশনে জড়ো হলাম। আমি একটা কালো টি-শার্ট, একটা মিলিটারি কার্গো প্যান্ট, আর হাইকিং শ্যু পরে, পিঠে রুকস্যাক নিয়ে এসেছি। আমার চুলটা একটু লম্বা বলে পনিটেল করে নিয়েছি। আমার চুলের ঝুটি দেখে অনেকে হাসতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে, আমিও উপভোগ করছি, হি হি করে হাসছি। যতক্ষণ না ট্রেন আসে, ততক্ষণ আমার লম্বা চুল নিয়ে এনতার গবেষণা চললো। কি জ্বালা!!!!! হা হা করে হাসছি আর মনে  মনে ভগবানের মুন্ডুপাত করছি। গালাগালি খেয়ে বোধহয় ভগবানের কান কটকট করে উঠলো, তাড়াতাড়ি ট্রেন ঢুকে গেল স্টেশনে। বাচলাম!!! আমার চুল নিয়ে এত গবেষণায় আমার টাক না পড়ে যায়!!! বিকেল ৫:৩৫-এ কামরূপ এক্সপ্রেস হাওড়া ছাড়লো। আমরা মোট ১৩ জন আছি। আমি, পার্থপ্রতিম চৌধুরি(পার্থদা), মুনমুন চৌধুরি(বৌদি), দ্বীপায়ন(পার্থদার সাড়ে ছ&#8217;বছরের ছেলে), নরেশ জৈন(নরেশদা), স্বপন মণ্ডল(স্বপনদা), সন্দীপ দাস(সন্দীপদা), দীপক ঘোষ(দীপকদা), দেবজ্যোতি ঘোষ(বুবাই, দীপকদার ছেলে), শেখ আনোয়ার আলি(আনোয়ারদা), দেবব্রত গুপ্ত(দেবদা), শ্যামসুন্দর পাল(বাবু), সঞ্জয় মুখার্জী(মুখার্জীদা)। ট্রেনে আমরা যে যার বার্থ দখল করে বসলাম। আমরা চারটে তাবু(Tent) এনেছি, সেগুলো বার্থের নিচে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো। সবাই যে যার রুকস্যাক নিজের নিজের জায়গায় পিঠ থেকে নামিয়ে রাখলাম। একটু আড়মোড়া ভাঙ্গা, ব্যস, ওটাই সিগনাল আড্ডা শুরুর। আপনারা তো সবাই জানেনই, আড্ডা মারাটা বাঙালির রক্তে মিশে আছে, বলতে পারেন ওটা বাঙালির জন্মগত অধিকার। একটু আগে আমার কাছে গালাগালি খেয়ে ভগবান বোধহয় সতর্ক হয়ে গিয়েছিলেন, তাই দ্বিতীয়বার গালাগালি দেওয়ার আগেই একটা ঝালমুড়িওয়ালা আর চা-ওয়ালাকে আমাদের বগি-তে পাঠিয়ে দিলেন। আহা!!!! বলুন তো, মুড়ি, চা, আর নিখাদ নির্ভেজাল আড্ডা পেলে আর কিছু চাই আপনার?? একমুখ কান এটো করা হাসি নিয়ে মুড়ি চিবোতে চিবোতে গরম চায়ে আওয়াজ তুলে চুমুক দিয়ে বেশি চিৎকার-চেচামেচি না করে(!!!) আড্ডা শুরু হল। আড্ডা, নাকি মাছের বাজার, নাকি হরিসংকীর্তনের দল, <a href="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/tour-209.jpg"><img src="http://amarblog.com/wp-content/uploads/2008/12/tour-209.jpg" alt="" title="Rainbow from train." width="315" height="225" class="alignright size-full wp-image-26428" /></a> সেটা আমাদের সহযাত্রীরাই বোধহয় ভালো বলতে পারতেন। যাই হোক, আড্ডায়, জর্জ বুশের ব্লাড প্রেসার কত থেকে শুরু করে রানি এলিজাবেথের কটা বেড়ালবাচ্চা বা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি পিৎজায় টমেটো সস দিয়ে খায় কিনা, কোনো কিছুই বাদ গেলো না। বুবাই আমাকে বললো, &#8220;ভাইকিং-দা(আমার ডাকনাম), তাসের প্যাকেটটা বার করো।&#8221; ১ ঘন্টা তাস পেটানোর পর, গান ধরা হলো। গানটা, আমাদের অনেকেই বেশ ভাল গায়। এরপর একটু বাদে প্যান্ট্রি কার থেকে রাতের খাবার দিয়ে গেলো। খাবার পর আবার আড্ডা। যাই হোক, কিছুক্ষণ পরে, ইঞ্জিন থেকে ড্রাইভার সব কামরার আলো নিভিয়ে দিল। সবাই একে একে যে যার মতো বার্থে শুয়ে পড়লো। আমার ঘুম আসছে না। উঠে বসলাম আমার সাইড-বার্থে। ঠান্ডা হাওয়ার জন্য জানলাটা বন্ধ করে দিয়েছিলাম, এখন খুলে দিলাম। ঝলক মেরে একরাশ ঠান্ডা হাওয়া ঢুকে এলো ভিতরে। চাদরটা গায়ে ভালো করে জড়িয়ে নিলাম। ট্রেনটা উল্কার গতিতে ছুটে চলেছে। অন্ধকার কামরায় বসে জানলা দিয়ে, উলটো দিকে ছুটে যাওয়া ধূ ধূ মাঠের দিকে তাকিয়ে রইলাম আনমনে কিছুক্ষণ। মাঝে মাঝে অনেক সামনে থেকে ইঞ্জিনের হর্নের আওয়াজ কানে আসছে। না:, এবার ঘুমিয়ে পড়ি, কাল সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামতে হবে। জানলাটা বন্ধ করে গায়ে চাদরটা জড়িয়ে রুকস্যাকে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়লাম। ঘটাং ঘটাং আওয়াজ, আর দূর থেকে ভেসে আসা ইঞ্জিনের হর্ন&#8230;<br />
                                                                                      <strong><em>(এর পর ২য় পর্বে)</em></strong></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/souravkoley/26409/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>এরশাদের ইলেকশন পরবর্তী ভুমিকা কি হবে ?</title>
		<link>http://amarblog.com/habib/26424</link>
		<comments>http://amarblog.com/habib/26424#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 01 Dec 2008 16:15:00 +0000</pubDate>
		<dc:creator>হাবিব</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[ব্লগরব্লগর]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://amarblog.com/?p=26424</guid>
		<description><![CDATA[
 যেদিন অয়ামীলীগ এর সভানেত্রীর সাথে এরশাদের জোট হল এবং কয়টা সিট দেওয়া হবে এই নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে কেউই মুখ খোলেন নি , ঠিক তার পরদিন এরশাদ গোপনে জামাত এবং ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="dropcap-first">
 যেদিন অয়ামীলীগ এর সভানেত্রীর সাথে এরশাদের জোট হল এবং কয়টা সিট দেওয়া হবে এই নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে কেউই মুখ খোলেন নি , ঠিক তার পরদিন এরশাদ গোপনে জামাত এবং খালেদা জিয়ার সাথে মেসেজ এক্সচেন্জ করছে। এরশাদ বলছে &#8221; ওরা তো আমাকে ৪০ টা সিট দিতে চায় , আর আমি বলছি ৬০ সিট প্লাস প্রেসিডেন্ট ।কিন্তু শেখ হাসিনা রাজি হচ্ছেনা । শেখ হাসিনা বলে শুধু ৪০ টা সিট দেওয়া হবে ।আর আমি তোমাদের সাথে আসলে তোমরা কি করবে । আমাকে কিন্তু প্রেসিডেন্ট করতেই হবে &#8221;<br />
     এই ঘটনা আমি শেখ হাছিনা কে বলেছি এবং সাথে এও বলেছি যে আমি উত্তরবংগের আমাদের নেতা কর্মীদের মনভাব দেখেছি আর তারা অত্যান্ত কনফিডেন্ট । এমনকি তারা বলছে এরশাদকে ছাড়াই আমরা মেজরিটি ভোট পাব।</p>
<p>   কিন্তু যাই হোক শেষ মেশ এরশাদের সাথে চুক্তি হল। কিন্তু আমার একটা জিনিষ মনে হয় তা হল এরশাদ ইলেকশন এর পরে পাল্টি মারবে । একটা ষরযন্ত্রের কথা আমি জানি তা হল আওয়ামীলীগ কে ১৪৯ টা সিটের মধ্যে বেধে দেবার জন্য এরশাদ কে কোনো বিষেশ বাহিনীর বিশেষ লোকজন এবং খালেদা জিয়া ব্যবহার করছে ।</p>
<p>   যদি এমন হয় বিএনপি এরশাদ কে ১০০ কোটি টাকা বা আরো বেশী,৬০ টা সিট আর  প্রেসিডেন্ট পদ দেয় ইলেকশনের পরে তখন কি হবে ? এরশাদ কি অয়ামীলীগের সাথে বসে থাকবে ? থাকবে কি এই মহাজোট ?<br />
  ৫০ টা সিট এরশাদ কে দেও্যার মানে হল আওয়ামীলীগ কে ২৫০ সিটের মধ্যে ১৫১ টা সিট পেতে হবে । এরশাদের সাথে চুক্তি করা নিয়া আমি এর আগে লিখছিলাম কিন্তু আমি ভাবছিলাম কেউ এই কথা ভাববে , কিন্তু দেখলাম কেউই এই কথা মনে করেনি । এখন ভাবা দরকার ইলেকশনের পর এরশাদ পাল্টি মারলে আওয়ামীলীগের করনীয় কি ??</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://amarblog.com/habib/26424/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>

<!-- Dynamic Page Served (once) in 6.778 seconds -->
<!-- Cached page served by WP-Super-Cache -->
