খ্রীস্টানরা কি তাইলে বেহেস্তে যাবে ?
লিখেছেন: ক্যাচাল
বুধবার, ৯ জুলাই ২০০৮ ৫:২৬ অপরাহ্ণ৪৬ টি মন্তব্য
আচ্ছা একটা ব্যাপার তো সবাই কেই মানতে হবে যে খ্রীস্টান দের গড এবং মুসলমান দের আল্লাহ এক জনই। ভুলের মধ্যে একটাই আছে; যিশু আসলে ছিলেন একজন নবী কিনতু তিনি পরে নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে নিজেকে জাহির করেন।
তার মানে মুসলমান ও খ্রীস্টান এক অস্তিত্বকেই মানে এবং ডাকে। সেই মতে কোরানের আলোকে ক্রীস্টানদের সবাই বেহেস্তে যাবে ।
আয়াতঃ৫-৬৯
إِنَّ الَّذِينَ آمَنُواْ وَالَّذِينَ هَادُواْ وَالصَّابِؤُونَ وَالنَّصَارَى مَنْ آمَنَ بِاللّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وعَمِلَ صَالِحًا فَلاَ خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلاَ هُمْ يَحْزَنُونَ
নিশ্চয় যারা মুসলমান, যারা ইহুদী, ছাবেয়ী বা খ্রীষ্টান, তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর প্রতি, কিয়ামতের প্রতি এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।
Surely, those who believe (in the Oneness of Allâh, in His Messenger Muhammad SAW and all that was revealed to him from Allâh), those who are the Jews and the Sabians and the Christians, - whosoever believed in Allâh and the Last Day, and worked righteousness, on them shall be no fear, nor shall they grieve.
ট্যাগঃ









ক্যাচাল (লেখক) ৯ জুলাই ২০০৮ ৬:১২ অপরাহ্ণ
সামইন এই পোস্ট টা মুইচ্ছা দিলো! কেমন লাগে কন?
আফলাতুন জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
যিশু আসলে ছিলেন একজন নবী কিনতু তিনি পরে নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে নিজেকে জাহির করে।
> এ ধরনের কথা এই পরথম শুনলাম । বাইবেলের বা কোরানের কই লেখা আছে ? যে ইসা/ যিশু নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে দাবি করছে ? কোরানের ৫:১১৬-১১৭ পড়েন।
আল্লার পুত্র হিসাবে দাবির যে কথা বললেন তা হল খ্রিস্টান ধর্মের পিতা,পুত্র ও পবিত্র আত্মার ধারনা হতে সৃষ্ট ।
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ৯ জুলাই ২০০৮ ১১:৩০ অপরাহ্ণ
শেষ বিচারের দিনের জন্যে কেউ যদি বিচারকের নিয়োগপত্র পেয়ে থাকেন - তাইলে দয়া করে ক্যাচালের প্রশ্নের জবাব দেন….প্লিজ
ক্যাচাল জুলাই ৯, ২০০৮ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
আপ্নের সাথে বিতর্কে যামু না। দেখি আর কেউ আসে নাকি
আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন জুলাই ৯, ২০০৮ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
আইচ্ছা, আমি তাইষে সাইড লাইনে। দেখি কে কি কয়।
শমশের ৯ জুলাই ২০০৮ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
আমি আছি উকিল হিসাবে। কারো লাগ্লে কইয়েন, বেহেশ্ত মাস্ট, তয় ফি দিতে হইবো দুনিয়াতে বইসাই
বড় হুজুর জুলাই ৯, ২০০৮ ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
বুঝবো কেমনে যে বেহেসতে যামুই?
মল্লিক চাচা ৯ জুলাই ২০০৮ ১১:৪২ অপরাহ্ণ
খ্রীষ্টানরা বেহেশতে যাইব না , সোজা হিসাব । কারন হইল , ঈমান হচ্ছে বেহেশতে যাওয়ার পূর্বশতর্ ।
আর আল্লাহর সাথে সাথে রাসুল সা. আর কোরআনের উপর ঈমান আনতে হবে ।
কলেমা তাইয়্যেবা হচ্ছে বেসিক ঈমানের যাত্রা - যেখানে ডিক্লেয়ার দিতে হবে - আল্লাহ ছাড়া মাবুদ নাই , আর রাসুল সা. আল্লাহর প্রতিনিধি ।
খালি আল্লাহরে নিয়া পইড়া থাকলে বেহেশতে যাইতে পারবেন না ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ২:১০ অপরাহ্ণ
[খ্রীষ্টানরা বেহেশতে যাইব না , সোজা হিসাব । ]
অনেক জিনিস জানলাম এই পোস্ট থেকে।
আপনি কি মনে করেন বর্তমান দুনিয়ার ৮০ ভাগ অমুস্লিম দের মধ্যে একজন লোক ও যদি ১০০ ভাগ ৎ
ৎসত থাকে তাইলে তো তার বেহেস্তে যাওয়ার চান্স নাই!
এ থেকেই বুঝা যায় এই ধর্ম বেপার টা কতোটা লৌকিক।
ক্যাচাল (লেখক) ৯ জুলাই ২০০৮ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
**খালি আল্লাহরে নিয়া পইড়া থাকলে বেহেশতে যাইতে পারবেন না ।**
তার মানে আল্লাহ ও শেষ নবী প্রায় ৫০-৫০?
ক্যাচাল জুলাই ৯, ২০০৮ ১১:৫০ অপরাহ্ণ
জিনিস টা পার্সিয়াল মনে হইতাছে। চিন্তা কইরা দেখেন যদি আল্লাহ নিজে সব কিছুর উর্ধে হন, তাইলে উনার সাথে সাথে শেষ নবিকে না ইজ্জত না দিলে বেহেস্তে যাওন যাইবো না।
এখানে কিন্তু অনেক টা হিন্দুদের গুরু সিস্টেম আইসা যাইতেছে। সরাসরি যাওয়ার কোন রাস্তা নাই। গুরু ধইরা যাইতে হবে। তাই তো?
মল্লিক চাচা জুলাই ৯, ২০০৮ ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
বিষয় হইলো এই বিষয়ে আল্লাহর সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা যায় নাই । রাসুল সা. মাঝে মাঝে দুই এক লাইন কইযা কইছেন যে আল্লাহ এইটা কইছে । এখন আপনি যদি ভায়া মিডিযাম হন , তাইলে আপনি আপানর গুরুত্ব বাড়াইবেন , এইটা স্বাভাবিক ।
আযানের একটা দোয়া দেখায় টেলিভিশনে …হে আল্লাহ , এই নামাজের তুমিই প্রভু ( পরের লাইনটা হইল ) হযরত মুহম্মদরে দান কর বেহেশতের সবর্চ্চ স্থান আর সুমহান মর্যাদা , যার প্রতিশ্রুতি তুমিই তাকে দিয়েছ..নিশ্চয়ই তুমি ভঙ্গ করো না অঙ্গীকার ।
এখানে দেখা যায় , রাসুলের নিজেরই বেহেশতে যাওয়া নিয়া সন্দেহ আছে , তাই দিনে পাঁচবার কোটী কোটী মুলমান আল্লাহরে কইতে আছে , আল্লাহ আপনে অঙ্গীকার ভঙ্গ কইরেন না কিন্তু ।
এই দোয়া পড়ার কোন ফজিলত আছে কি না বলেন ? রাসুল বেহেশতে গেলে আমার কী ? আমি নিজে বেহেশতে যাইতে চাই , কিন্তু দিনে পাচবার নিজের জন্য দোয়া করতেছি না ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
হায় হায়!
এইবার তো মনে হইতাছে আপনার সাথে ও বিতর্কে যাওন যাইব না।
একটা কথা জানতে চাই,” রাসুল এখন কোথায় আছেন? যেহেতু বিচার এখনো শুরু হয় নাই তাইলে উনি কোথায় আছেন , কেমন আছেন জানার বড়ো ইচ্ছে হয়।
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
বিতর্কে যাওয়া যাবে , যেকোন বিষয়ে বিতর্ক করতে আমার আপত্তি নাই , যদিও বেশির ভাগেই জিততে পারি না । ঠিক আছে , আগের প্রসঙ্গে ফিরে আসি ।
ঈমান একটা পূর্ণাঙ্গ বিষয় । সেইখানে কিছু বেসিক শর্ত আছে । আপনি আল্লাহরে মানবেন , কিন্তু আর কিছু মানবেন না এভাবে হবে না । আপনি সব কিছু মানার মাধ্যমেই আল্লাহরে মানতেছেন । পুরা প্যাকেজ নিতে হবে আপনাকে ।
এখন আপনি আল্লাহ আছেন বললেন কিন্তু রাসুল আছেন মানেন না । তাইলে মুসলিম নিয়মে আপনি আসলে আল্লাহরে মানেন না ।
রাসুলের আলাদা গুরুত্ব আছে । শুধু তাকে নাজেল করার জন্যই পৃথিবী পয়দা করা হইছে , উনি আল্লাহর খাস দোস্ত ।
এখন আপনাকে এটা মানতে হবে ।এটা ঈমান ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
একটা কথা জানতে চাই,” রাসুল এখন কোথায় আছেন? যেহেতু বিচার এখনো শুরু হয় নাই তাইলে উনি কোথায় আছেন , কেমন আছেন জানার বড়ো ইচ্ছে হয়।
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
রাসুল সা. আমাদের জানাচ্ছেন যে আগেও তোমরা আল্লাহ মানছ , কিন্তু এখণ আল্লাহ উনার আইনকানুন বদলাইছেন । ধর্মের মাঝে ১/১১ , নতুন সংস্কার চালু হইছে ।
সেই সংস্কার হচ্ছে গিয়া আমার মাধ্যমে যা বলা হইছে সেটাই ।
এখন খৃষ্টানরা ইহুদিরা এটা বিশ্বাস করে না , তাইলে আল্লাহ কইতেছৈন আমি লোক পাঠাইছি , তোরা বিশ্বাস না করলে তগো জন্য বেহেশত নাই …বিষয়টা এরকম আর কি ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
কিন্তু আয়াতে খৃষ্টানরা ইহুদি দের তো নির্ভয় দেওয়া হইছে। এটা কেম্নে ব্যখ্যা করা যেতে পারে?
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
একটা প্রশ্ন জাগছে মনে, এই ফুল প্যাকেজ তো শিয়া , সুন্নি, ইস্মাইলি, কুর্দি রা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে মানে। তাইলে কি শিয়াদের চোখে সুন্নিরা এবং সুন্নিদের চোখে শিয়ার মুস্লিম নয়?
মল্লিক চাচা জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
শিয়া সুন্নী বিষয়টা কিন্তু অন্য বিষয় । এটা ধর্মের লগে সম্পর্কযুক্ত না । এটা হইতেছে গিয়া শাষনক্ষমতার ভেজাল ।
রাসুল দুনিয়ার সকল মুসলমানের জন্য সব সমস্যার সমাধান কইরা গেলেও উনার মৃত্যুর পরে ক্ষমতায় কে আসবে সেটা নিয়া কিছু বলেন নাই । তখন উনার মৃত্যুর পরে বিশাল ভ্যাজাল তৈরী হইছে । পরিবার তন্ত্রের মাধ্যমে তখন আলী আসতে চাইছেন , অন্যদিকে ওমরের একটা ক্ষমতা বলয় ছিল ।
এই দুই ক্যাচালে আলীপন্থীরা শিয়া বানাইছে ।
ফিয়া জুলাই ১০, ২০০৮ ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
রাইট! এক কথায় ইসলাম হচ্ছে true religion আর মুসলমানরা হচ্ছে true believer of this religion. বিধর্মীরা কখনোই বেহেশতে প্রবেশ করবে না।
আফলাতুন ১০ জুলাই ২০০৮ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
যিশু আসলে ছিলেন একজন নবী কিনতু তিনি পরে নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে নিজেকে জাহির করে।
> এ ধরনের কথা এই পরথম শুনলাম । বাইবেলের বা কোরানের কই লেখা আছে ? যে ইসা/ যিশু নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে দাবি করছে ? কোরানের ৫:১১৬-১১৭ পড়েন।
আল্লার পুত্র হিসাবে দাবির যে কথা বললেন তা হল খ্রিস্টান ধর্মের পিতা,পুত্র ও পবিত্র আত্মার ধারনা হতে সৃষ্ট ।
(E) (E) (E) (E) (E)
আফলাতুন জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
মল্লিক চাচার একজামপল ঠিক আছে ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
Trinity ?
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কোরআনের যে আয়াতটা দিছেন এটা না দেইখা বলতে পারতেছি না । কোরআনকে বিচ্ছিন্নভাবে পড়লে অনেক ভুল অর্থ দাড়ায় ।
তাই এটা দেখে বলথে হবে ।
আগের পিছের কয়েকটা আযাত একসাথে পড়লে হয়তো একটা ভিন্ন অর্থ পাওয়া যাবে ।
এটা কোন সুরা ?
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ
আয়াতঃ৫-৬৯
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
http://quraanshareef.org/indexU.php?sid=5&&ano=120&&st=60&&arabic= এখানে বাকি গুলো আছে।
আফলাতুন জুলাই ১০, ২০০৮ ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
5 no sura
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ১:৪১ পূর্বাহ্ণ
বিজি , তবে আইতেছি ।
আপাতত পাইলাম :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَتَّخِذُواْ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى أَوْلِيَاء بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاء بَعْضٍ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ إِنَّ اللّهَ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ (51
হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।
O you who believe! Take not the Jews and the Christians as Auliyâ’ (friends, protectors, helpers, etc.), they are but Auliyâ’ to one another. And if any amongst you takes them as Auliyâ’, then surely he is one of them. Verily, Allâh guides not those people who are the Zâlimûn (polytheists and wrongdoers and unjust).
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
হা হা হা।
জিনিস টা কি দাড়াইলো?
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
ব্যাক টু দা আলোচনা ।
আপনার উল্লেখিত আয়াতটি আসলে শুরু হবে ৬৫ নং আয়াত থেকে ।
(65
আর যদি আহলে-কিতাবরা বিশ্বাস স্থাপন করত এবং খোদাভীতি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের মন্দ বিষয়সমূহ ক্ষমা করে দিতাম এবং তাদেরকে নেয়ামতের উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করতাম।
And if only the people of the Scripture (Jews and Christians) had believed (in Muhammad SAW) and warded off evil (sin, ascribing partners to Allâh) and had become AlMuttaqûn (the pious - see V.2:2) We would indeed have blotted out their sins and admitted them to Gardens of pleasure (in Paradise).
———————–
অর্থাৎ আল্লাহ বলতেছেন যে আহলে কিতাবের লোকেরা আসলে উনারই লোক , কিন্তু তারা যদি তাদের ধর্ম পালন করত ।
অর্থাৎ , কোরআন আসার আগের কিতাবগুলো যদি তারা ঠিকমতো পালন করে , তাহলে আল্লাহ তাদেরকে বেহেশতে প্রবেশ করাবেন ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
চাচা, একটা প্রশ্নের উত্তর পাই নাই। ঐটার উত্তর পাইলে আমি একটা সামারী দিতে পারতাম।
মল্লিক চাচা জুলাই ১০, ২০০৮ ২:০১ পূর্বাহ্ণ
কোন প্রশ্ন ?
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ৩:৩৮ পূর্বাহ্ণ
একটা কথা জানতে চাই,” রাসুল এখন কোথায় আছেন?…. যেহেতু বিচার এখনো শুরু হয় নাই তাইলে উনি কোথায় আছেন , কেমন আছেন জানার বড়ো ইচ্ছে হয়।
মল্লিক চাচা ১০ জুলাই ২০০৮ ৪:৪০ পূর্বাহ্ণ
উনি মানুষ ছাড়া আর কিছু না । সো , উনি এখন মদীনাতে উনার কবরেই আছেন ।
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ৪:৫০ পূর্বাহ্ণ
মানুষ তো বটেই।
কবরে কি আছে এখন? নিশ্চয় হাড়্গোড় নাই। কবরে কি আছে?
মল্লিক চাচা জুলাই ১০, ২০০৮ ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ঐভাবে চিন্তা করলে কিছুই নাই । কবরে তো আর ১৪০০ বছর পর্যন্ত শরীর থাকার কথা না ।
শমশের ১০ জুলাই ২০০৮ ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ
শুন্চি কবরে কেও শাচ্তি পায়, কেও হুর নিয়া ফুর্তি করে
ডাক্তার আইজুদ্দিন ১০ জুলাই ২০০৮ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ণ
আমার মনে হয়না ইশ্বর থাকলেও ধর্মে বেইসে বেহেশতে পাঠাইবো
মাদার তেরেসা বেহশত যাইবোনা মাগার
মৌলভী আইজুদ্দিন যাইবো এটা কেমতে সম্ভব
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ২:১৬ অপরাহ্ণ
মুকুল ১০ জুলাই ২০০৮ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
“যিশু আসলে ছিলেন একজন নবী কিনতু তিনি পরে নিজেকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে নিজেকে জাহির করেন।”
এতদিন ভাবতাম ক্যাচাল সমাজ ভালো কইরা স্টাডি কইরা লেখে। এখন বুঝলাম তা ভুল!
সমগ্র নিউ টেস্টামেন্টের কোথাও যিশু নিজেকে ঈশ্বরপুত্র বইলা দাবি করে না। বরঞ্চ যিশুর নিজের জবানিতে যেখানেই নিজের সম্পর্কে বলেছেন, সেখানেই বলেছেন যে, “মানবপুত্র ঈসা”।
নিউ টেস্টামেন্টের লেখকদের ভাষ্যে তিনি ঈশ্বরপুত্র; তবে যিশুর নিজের ভাষ্যে তিনি একজন “মানবপুত্র”
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ২:১৩ অপরাহ্ণ
মানলাম।
কিন্তু আসল কথা কিন্তু সেটা নয়।
বেহেস্তে শুধুমাত্র তারাই যাবে যারা মুসল্মান্দের মধ্যে ভালো।
দুনিয়ার ৮০ ভাগ অমুস্লমিন্রা ভালো হইলে তাদের বেহেস্তে যাওয়ার চান্স নাই।
কি অদ্ভুত লৌকিক বেপার সেপার।
মুকুল জুলাই ১০, ২০০৮ ২:২০ অপরাহ্ণ
বিস্তারিত লেখার এখন সময় নাই। আর আমি ধর্মবোদ্ধাও নই।
তবে সংক্ষেপে বললে, ইসলাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় নিরাকার একেশ্বরবাদকে। নবীদের পাঠানোই হয়েছে একেশ্বরবাদ প্রচার করার জন্য এবং মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দেয়ার জন্য। কেউ যদি একেশ্বরবাদী হয় এবং সৎ কাজ করে, সে স্বর্গে না যাওয়ার কোন কারণ দেখি না।
উপরোক্ত আয়াতে সে ইংগিতই করা হয়েছে। অবশ্য গোঁড়া ধর্মপন্থীরা আমার সাথে একমত হবেন না বলেই মনে হয়!
(এ বিষয়ে আমার একটা ব্যক্তিগত গল্প আছে। তবে এখানে বলবো কি না বুঝতে পারছি না। হয়তো বলবো কোন একদিন)
ক্যাচাল জুলাই ১০, ২০০৮ ২:৩২ অপরাহ্ণ
বলেন বলেন।
জানার দরকার আছে।
আফলাতুন ১০ জুলাই ২০০৮ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
আমার কাছে যে কোরানের অনুবাদ আছে তার থেকে তুলে দিলাম। অনুবাদক (Abdullah Yusuf Ali, Marmaduke Pickthall, Mohammad Habib Shakir)
005.116
Y: And behold! Allah will say: “O Jesus the son of Mary! Didst thou say unto men, worship me and my mother as gods in derogation of Allah’?” He will say: “Glory to Thee! never could I say what I had no right (to say). Had I said such a thing, thou wouldst indeed have known it. Thou knowest what is in my heart, Thou I know not what is in Thine. For Thou knowest in full all that is hidden.”
P: And when Allah saith: O Jesus, son of Mary! Didst thou say unto mankind: Take me and my mother for two gods beside Allah? he saith: Be glorified! It was not mine to utter that to which I had no right. If I used to say it, then Thou knewest it. Thou knowest what is in my mind, and I know not what is in Thy Mind. Lo! Thou, only Thou, art the Knower of Things Hidden?
S: And when Allah will say: O Isa son of Marium! did you say to men, Take me and my mother for two gods besides Allah he will say: Glory be to Thee, it did not befit me that I should say what I had no right to (say); if I had said it, Thou wouldst indeed have known it; Thou knowest what is in my mind, and I do not know what is in Thy mind, surely Thou art the great Knower of the unseen things.
005.117
Y: “Never said I to them aught except what Thou didst command me to say, to wit, ‘worship Allah, my Lord and your Lord’; and I was a witness over them whilst I dwelt amongst them; when Thou didst take me up Thou wast the Watcher over them, and Thou art a witness to all things.”
P: I spake unto them only that which Thou commandedst me, (saying): Worship Allah, my Lord and your Lord. I was a witness of them while I dwelt among them, and when Thou tookest me Thou wast the Watcher over them. Thou art Witness over all things.
S: I did not say to them aught save what Thou didst enjoin me with: That serve Allah, my Lord and your Lord, and I was a witness of them so long as I was among them, but when Thou didst cause me to die, Thou wert the watcher over them, and Thou art witness of all things.
মুসার (আঃ) পর ইসা(আঃ) না আসা পর্যন্ত সময়ে যারা ইহুদি ছিল তাদের মাঝে যারা ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করেছে তারা , ইসার(আঃ) পর মুহাম্মদ (সাঃ) পর্যন্ত সময়ে যারা খ্রিস্টান ছিল তাদের মাঝে যারা ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করেছে তারা, মুহাম্মদ (সাঃ) হতে বর্তমান সময়ে সঠিক ভাবে ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করেছে তারাই বেহেস্তে যাবে ।
আর প্রতি বার আপডেটের পর আগের এডিসন আপনা-আপনি বাতিল হয়ে যাবে, আমরা যেভাবে আইন তৈরি করি সেরকম।আইন আপডেট হলে যেমন আগের ধারা বাতিল হয়ে যায়। তাই বর্তমানে ইসলামই আল্লাহর কাছ থেকে পাওয়া শেষ ধর্ম, তাই বর্তমানের কেউ যদি বেহেস্তে যায় তাকে অবশ্যই ইসলামের অনুসারি হতে হবে। এ বেহেস্তি খ্রিস্টান হল নবিজীর আগের খ্রিস্টান।
এখন কথা হল মাদার তেরেসা বেহেস্তে যাবে কিনা ?
উত্তরটা এ রকম “নবিজির চাচা আবু তালিব নবিজিকে আগলে রেখেছিলেন যখন নবিজি ইসলাম প্রচার করছিলেন। সে সময় তার কারনে কুরাইসদের কেউ নবিজিকে কিছু বলতে পারতো না । আবু তালিব কিন্তু মুসলমান ছিলেন না । মৃত্যর সময় নবিজি অনেক চেস্টা করেছেন তাকে কলেমা পড়াতে কিন্তু তিনি পড়েননি । তার অবস্তা কি হবে তা যদি আপনারা বোঝেন তাহলেই মাদার তেরেসার কি হবে বুঝতে পারবেন”
ফিয়া ১১ জুলাই ২০০৮ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
জানা মতে, আবু তালেববের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে নবিজির পালক দাতা হিসাবে। তাঁহাকে শুধু একজোড়া অগ্নির জুতা পড়িয়ে সাজা দেওয়া হবে।
আর মাদার তেরেসা ভালো খ্রীষ্টান ছিলেন। মুসলমান না। ইসলামের ভিত্তিতে তার ধর্ম পালনের রাস্তাকে পথভ্রষ্ট ছাড়া অন্য কোনভাবে বিবেচনা করার প্রযোয্য নহে।
আফলাতুন জুলাই ১১, ২০০৮ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সেইটা আপনার বিবেচনা ।