প্রথম পাতা » বিজ্ঞান, ব্লগরব্লগর

আগামী বুধবার নাকি মহাপ্রলয় (মানে রোজ কেয়ামত) ঘটবে!

লিখেছেন: পুরানপাপী

সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ – ১২:৫৫ অপরাহ্ণ২৮ টি মন্তব্য

আজ মহাপ্রলয় নিয়া একটা রিপোট পড়লাম দৈনিক সমকাল ও ইওেফাকে। দুই পএিকার রিপোর্ট দুই রকম। তারা দুইরকম আশংকা প্রকাশ করেছেন। কিছু কিছু বিষয় একটু ভেংগে লেখলে সুবিধা হত। সুইজার ল্যন্ডের জেনেভায় বিজ্ঞানীরা নাকি এক ধরনের টানেল মাটির ৩০০ ফুট নিচে তৈরী করেছে যার ব্যস নাকি ১৬ মাইল। সমকাল রিপোর্ট অনুযায়ী এটি নাকি একটি যন্ত্র বিশেষ যা মাটির নিচে ঘুরতে থাকে। এর মধ্যে নাকি সাব এটমিক কণার ঝাক ছাড়া হবে।  ইশ্বরের কণা অনুসন্ধান নাকি এর লক্ষ্য। এই পরীক্ষার মাধ্যমে নাকি ব্রহ্মান্ড সৃষ্টিকালে কি ঘটেছিল তা জানা যাবে। এছাড়া বহুদিনের কাঙ্খিত ইউনিফায়েড ফিল্ড থিওরি’র তাত্বিক ভিওি প্রতিষ্ঠিত হবে। এর থেকে প্রলয়ংকরি কিছু ঘটে যেতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী আশংকা প্রকাশ করছেন । তাই তারা এই পরীক্ষা বন্ধ করার জন্য ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যন রাইটস এ আবেদন করেছেন কিনতু কোর্ট তাদের আবেদন শুনে নাই । তাই পরীক্ষা আগামী ৯/১০ তারিখ বুধবার হবে। তখন সেই টানেল আকৃতির বিশাল যন্ত্রের মুখ খুলে সেখানে সাব-এটমিক কণা ছাড়া হবে। ইওেফাকে এখানে সেই যন্ত্রটি পরীক্ষার কথা জোরের সংগে বলেছে যা সমকালের রিপোর্টে উল্লেখ নাই মোটেও । এছাড়া চেইন রি-একশন, মহাপ্লাবনের হওয়ার যে আশংকা ইওেফাকের রিপোর্টে ব্যক্ত করেছে তা সমকাল বলে নাই। জানি না রিপোর্টার নিজেরা বিজ্ঞানী হয়ে এই বিশ্লেষন দিয়েছেন কিনা।

আসলে এ বিষয়ের ব্যখ্যা দিতে পারে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের টিচার রা। কিন্তুু বাংলাদেশে আমার জানা মতে এ বিষয়টা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ায় না। সাধারন ফিজিক্সের টিচার বৃন্দ মনে হয় দিতে পারবে কারন তারা  পাদর্থ বিজ্ঞানের সব শাখা একটু একটু করিয়া পড়ায় ছাএদের কে এটা আমি জানি। যে বিষয়টা এখানে জানতে হবে তা হচ্ছে হিগস-বোসন কনিকা  কি?

ইউনিফায়েড ফিল্ড তত্বটা কি? বতমার্নে এই তত্ব নিযা বিজ্ঞান মহল কোন পর্যন্ত কাজ করেছে। সাব-এটমিক কণাটা টা আবার কি? যে কোণ অনু বা পরমানুর একটা নাম আছে এখানে কোন ধরনের অনু পরমানু নিয়া কাজ হচ্ছে সেটার উল্লেখ নাই। তার পর জানতে চাই সেই পর্দাথের কোন আইসোটপ নিয়া বিজ্ঞানিরা  কাজ করছে। তারপরইনা তো ঘটবে চেইন রিয়্যকশন। আবার সব ধরনের তেজস্কিয় বা অতেজ্সক্রিয় পদার্থ দিয়ে চেইন রিঅ্যকশন ঘটানো যায় না কোন মৌলিক পদার্থের পরমানুর বিশেষ বিশেষ আইসোটপ দিয়াই চেইন রিঅ্যকশন ঘটে। তাই চেইন রিঅ্যকশনের ঘটনার আশংকা ব্যক্ত করার আগে জানতে তো হবে কোন তেজস্ক্রির পর্দাথের আইসোটপ নিয়া বিজ্ঞানীরা কাজ করছে?

আশা করি মানুষ কে উল্টাপাল্টা লিখে ভয় দেখাবেন না। একটু পড়ালেখা করে এ জাতীয় লেখা লিখে সাংবাদিক গিরি করলে ভাল হয় অথবা ছাপনো আগে বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট কারো সাথে রিপোর্টে  প্র“ফ পড়িয়ে নিলে ভাল হয়।

বুকমার্ক:
  • Facebook
  • Google
  • Digg
  • Technorati
  • del.icio.us
  • Live
  • YahooMyWeb

২ votes, average: 5 out of 5২ votes, average: 5 out of 5২ votes, average: 5 out of 5২ votes, average: 5 out of 5২ votes, average: 5 out of 5 ( ভোট, গড়: 5/5)
লগ ইন করুন রেটিং এর জন্য!
Loading ... Loading ...

ট্যাগঃ


  • জ্যাকি
    জ্যাকি ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১:৫৬ অপরাহ্ণ

    যত্তোসব ফালতু !

  • মলিকিউল
    মলিকিউল ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২:৫১ অপরাহ্ণ

    CERN-এ Hadron Collider particle accelerator তইরি করা হয়েছে কিভাবে কনার পারস্পরিক আঘাতে বিশ্বজগত সৃষ্টি শুরু হয়েছে তা দেখার জন্য। ব্যাপার টা খুব ইন্টারেস্টিং। সহজে বুঝতে চাইলে ড্যান ব্রাউন এর “এন্জেলস এন্ড ডেমনস” পড়ে দেখতে পারেন। বইটা শুরুই হয়েচে এই Hadron Collider particle accelerator দিয়ে। বিগ্গানিরা এই পরীক্ষার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার উপস্থিতি প্রমান করতে চান। এটা যেহেতু একটা বড় সংঘর্ষ সৃষ্টি করবে তাই অনেকে ভাবছেন হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

  • সুশান্ত
    সুশান্ত ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

    বুঝলাম না!

    মলিকিউল

    মলিকিউল সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৩:০১ অপরাহ্ণ

    বইটা পড়েন, বুঝবেন। আমাগো সাংঘাতিকগো উপর নির্ভর করতে যায়েন না।

  • তানভীর
    তানভীর ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ৫:১৯ অপরাহ্ণ

    CERN (European Organization for Nuclear Research) ইউরোপের গর্ব। তারাই প্রথম world wide web প্রজেক্ট শুরু করে। ইউরোপের বিশটি দেশ CERN কে ফান্ডিং করে।

    CERN ওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে বড় পার্টিকেল collider (Large Hadron Collider, LHC) তৈরি করেছে। এই পার্টিকেল collider এ সবচেয়ে ক্ষুদ্র কণাগুলোর মধ্যে সংঘষ ঘটানো হবে। এর আগে আমার জানামতে এতো দ্রতবেগে এতো ছোটো কণাদের মধ্যে সংঘষ ঘটানো হয়নি। এই সংঘষের ফলে বিস্ফোরণ জনিত কারণে বিগ ব্যাঙ এর পর পরেই যে অবস্থার স্রিষ্টি হয়েছিল, সে অবস্থা তৈরি করা যাবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন এর ফলে নতুন কোনো কণা তৈরি হতে পারে, উপরন্তু বিগ ব্যাঙ এর পরর্বতী অবস্থা সম্পর্কেও জানা যাবে।

    যদিও কিছু বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা এর ফলে ব্ল্যাক হোল তৈরি হতে পারে, কিন্তু mainstream পদার্থ বিজ্ঞানীরা এ আশঙ্কা নাকচ করে দিয়েছেন। BBC র এ সংক্রান্ত রিপোর্টটি পড়তে পারেন।

    মলিকিউল

    মলিকিউল সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৭:১০ অপরাহ্ণ

    (Y) (Y)

    মলিকিউল

    মলিকিউল সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৭:২৫ অপরাহ্ণ

    বিগ্গানীরা আশা করছেন তারা এর মাধ্যমে এন্টিম্যাটার তইরি করতে পারবেন। তাদের মতে বিশ্বজগতে সব কিছুরই বিপরীত জিনিস আছে। যেমন: দিন-রাত, সাদা-কালো। তেমনি ম্যাটার-এন্টিম্যাটার। ম্যাটার-এর ভর আছে, কিন্তু এন্টিম্যাটারের ভর নেই। এন্টিম্যাটার ম্যাটার এর সাথে একি সাথে সৃষ্টি হয়েছিলো। ম্যাটার দিয়ে তইরি হয়েছে সব স্ট্রাকচার, কিন্তু এন্টিম্যাটার ভর-শুন্যতার কারনে কাজে আসেনি। কিন্তু একটি ক্ষেত্রে এন্টিম্যাটার অনন্য, তা হচ্ছে বাতাসের সংস্পর্শে আসলে এটি বিস্ফোরিত হয়। তাই অদুর ভবিষ্যতে এটি জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করার চিন্তা করছেন তারা।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৯:১৭ অপরাহ্ণ

    মলিকুল বুঝলাম আপনে অনেক খবর রাখেন । এন্টি ম্যটার সমন্ধে কি পদার্থ বিদ‌্যায় পড়ায়? এখানে এিন্টম্যটার সম্পর্কে তো কোন কিছু লেখে নাই। আপনে আলোচনায় এন্টিম্যটার আনতাছেন কেন?

    মলিকিউল

    মলিকিউল সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৯:২৯ অপরাহ্ণ

    এ প্রকল্পটা যদি আগাগোড়া পড়েন তাহলে এন্টিম্যাটার এর কথা চলে আসবে। আসলে বিশ্বজগত সৃষ্টির সময় সব কিছুই জোড়ায় জোড়ায় তইরি হয়েছিলো। CERN-এ এখন যা করতে যাচ্ছ্ব তাতেও সেই ঘটনা আবার ঘটবে, সৃষ্টি হবে ম্যাটারের সাথে এন্টিম্যাটার। তাই আমি উল্লেখ করে দিলাম।

    রাশেদ

    রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

    হা হা! কালকে রাতে জাফর ইকবালের একটা গল্প পড়লাম অ্যান্টি ম্যাটার নিয়ে।

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

    তানভীর সাহেব কে ধন্যবাদ দুইটি গুরুত্বপূর্ন লিংক দেওয়ার জন্য।

    তানভীর

    তানভীর সেপ্টেম্বর ৯, ২০০৮ ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

    আপনাকেও ধন্যবাদ। কিন্তু ভাই সাহেব বলিয়েন না, শুনতে কেমন কেমন লাগে। :-)

    আর @ মলিকিউল
    আপনাকেও ধন্যবাদ এরকম বিষয় আলোচনায় আনার জন্য।

  • প্রলয় হাসান
    প্রলয় হাসান ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ

    খাইছে আমারে! কি কন! :-S
    মরারাগে তওবা করনের টাইম পামু তো?

  • সবজান্তা
    সবজান্তা ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ৮:৫২ অপরাহ্ণ

    ইউনিফায়েড ফিল্ড থিয়োরিটা অত্যন্ত বাংলা নিয়মে কইতে পারি।

    যদি আপনে মহাকর্ষ এর সূত্র আর কুলম্বের চার্জের সূত্র দেইখা থাকেন, দেখবেন সূত্র দুইটা কাছাকাছি, মানে একই ফর্মের শুধু রাশি গুলা আলাদা। যেমন ধরেন ভরের জায়গায় চার্জ আর ধ্রুবক দুইটা আলাদা। কাজেই এইটা দেইখা আপনার মাথায় ফাল পারতেই পারে যে কিছু একটা মিল আছে।

    আসলেই সমস্ত ক্ষেত্র ( মহাকর্ষ, তড়িৎ কি চৌম্বক ) এর মধ্যেই একটা মিলের সন্ধান বিজ্ঞানীরা করতেসেন অনেক দিন ধরেই। সেই সূত্র ধরেই একীভূত ক্ষেত্র তত্বের আবিষ্কার ( এইটা মনে হয় সালাম-ওয়ানবার্গের থিয়োরি ) ।

    ভাই আমি মিস্ত্রী মানুষ, এর চেয়ে বেশি বেসিক লেভেল এ বলতে পারবেন পিউর ফিজিক্সের কেউ !

    পুরানপাপী

    পুরানপাপী সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ৯:১১ অপরাহ্ণ

    মহাকাশের দুইটা বস্তুুর মধ্যে যে আকর্ষন সেটা মহাকর্ষ বলে। এর সাথে ইউনিফয়েড ফিল্ড এর সম্পর্ক পাইলেন কিভাবে। প্রফেসার আবদূস সালাম দূবল আধান চার্জযুক্ত কনার আিস্তত নিয়া কাজ করছে হেইটা আমি জানি। এবং হের লিগা উনি চারজন পদার্থ বিজ্ঞানীর সাথে এক্ েএ নোবেল পাইছে। এ বিষয়ের সাথে সালামের কোন সম্পর্ক নাই।

    সবজান্তা সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:১৮ অপরাহ্ণ

    ভাই আমি আগেই বলসিলাম আমি মিস্ত্রী মানুষ, অত ভালো ফিজিক্স বুঝি না। তবু ভাই বাপ-মায় এক কালে কষ্ট কইরা পড়াশোনা করাইসিলো, সেই কালে কিছু জিনিশপাতি শিখছিলাম, সেইখান থিকাই কই।

    “মহাকাশের দুইটা বস্তুুর মধ্যে যে আকর্ষন সেটা মহাকর্ষ বলে। ” —- টাইপিং মিসটেক করছেন মনে হয়, এইটা মহাকাশ না হয়া মহাবিশ্ব হওনের কথা। আপনি যদি একটু কষ্ট কইরা ঘাইটা দেখতেন, তাইলে পাইতেন যে, মহাকর্ষীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় আন্তঃক্রিয়াজনিত বল, সবল নিউক্লীয় আন্তঃক্রিয়াজনিত বল আর তাড়িতচৌম্বক ক্রিয়ার বল , এইগুলাকেই একীভূত কইরা একীভূত ক্ষেত্রতত্ব দেওয়া হইছে। কাজেই মহাকর্ষ কই থিকা আসলো আশা করি বুঝতে পারছেন।

    একীভূত ক্ষেত্র তত্বের উপর কাজ কইরাই সালাম, গ্লাশো আর ওয়াইনবার্গ ১৯৭৯ সালে নোবেল পাইসিলেন। আপনার বিষয়ের কাজটাই আসলে একীভূত ক্ষেত্র তত্বের একটা রূপ।

    যাই হোক, মনে কিছু নিয়েন না, আমার এই বিষয়ের জ্ঞান সব ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত। তয় এইখানে যা কইলাম তা সবই উইকিপিডিয়াতেও প্রমাণ হিসাবে মিলাইতে পারসি। সময় থাকলে একটু চোখ বুলায়া নিয়েন,

    http://en.wikipedia.org/wiki/Unified_field_theory

    রাশেদ

    রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ

    থ্যাঙ্কু। জানা হইলো কিছু জিনিস। (Y)

  • মুকুল
    মুকুল ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ৯:৪৮ অপরাহ্ণ

    খাইছে! মহাপ্রলয়ের আগে বিবাহটা করবার চাই! :-(

    সুশান্ত

    সুশান্ত সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:২২ অপরাহ্ণ

    টাইম কই?

    মুকুল

    মুকুল সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:২৬ অপরাহ্ণ

    বুঝলেন না? যেহেতু আমি এখনো বিবাহ করি নাই, তাই মহাপ্রলয়ও বন্ধ! আমার বিবাহের আগে মহাপ্রলয় তো দূরের কথা, ছোটখাট প্রলয়ও হইবো না! ;-)

    সুশান্ত

    সুশান্ত সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:২৭ অপরাহ্ণ

    এরকম জিনিস ছোট বেলা থেকেই শুনি আসছি। আজকে ধবংস কালকে ধবংস।

    এতো সোজা !

  • রাশেদ
    রাশেদ ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১০:৩৮ অপরাহ্ণ

    কন কি!

    তাইলে ইয়া নবী সালা মালাইকা পড়া শুরু করে দেই! :-P

  • বিবর্তনবাদী
    বিবর্তন ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১০:৪৯ অপরাহ্ণ

    মহাপ্রলয় হইলে জানে বাঁচি। বুধবার হইতে পরীক্ষা। আর পরীক্ষা শেষ হইলেই বেকার। আল্লাহ করুন মহাপ্রলয়টা যেন বুধবার সকাল নয়টার আগেই শুরু হয়। তথ্যের জন্য থ্যাঙ্কস। আমি হাত থাকা সময়টায় একটু ব্লগিং কইরা নেই।

    রাশেদ

    রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:৫২ অপরাহ্ণ

    বিজ্ঞানীদের কাছে আকুল আবেদন পাঠান! :-D

    বিবর্তনবাদী

    বিবর্তন সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

    ফুন নম্বর দেন। :-)

    রাশেদ

    রাশেদ সেপ্টেম্বর ৮, ২০০৮ ১১:০১ অপরাহ্ণ

    মহিলা বিজ্ঞানী নাকি পুরুষ বিজ্ঞানী!

  • চোর
    চোর ৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১১:২৫ অপরাহ্ণ

    গুড পোস্ট। বিজ্ঞান নিয়ে ব্লগে লেখার পাবলিক কম। উৎস লিখতো। আপনি তার অভাব ভালোমতোই পূরণ করতে পারবেন।

  • আসল ট্রাপ
    আসল ট্রাপ ৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ

    (Y)

ট্র্যাকব্যাকঃ

মন্তব্য করুন!

এই পোস্টের কমেন্ট ফিড সাবস্ক্রাইব করুন!

আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে মন্তব্য করার জন্য!