একজন নেপথ্য পাঠকের প্রথম কিংবা শেষ পোস্ট
লিখেছেন: বৃহৎ মুষ্ঠি
শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ৭৪ টি মন্তব্য
বাংলাব্লগ জগতে বেশ কিছু পুরনো পাঠক আছেন যারা নিজেরা ব্লগার নন। আমি তাদের একজন। নিজে কোন দিন বলতে গেলে এক অক্ষরও ব্লগিং করিনি। বহুদিন আগে যখন সামহোয়ারইনব্লগ মাত্র শুরু হচ্ছে সেই সময় কিছু কিছু মন্তব্য করতাম। তখন রেজিস্ট্রেশন না করেও মন্তব্য করা যেতো ওখানে। চোখের সামনে দিয়ে এর পরবর্তী আড়াই বছরে অনেক তর্ক-বিতর্ক ঝড় ঝাপটা দেখেছি। একজন পুরনো ব্লগার নিজে এই সময়ের যতটা জানেন বলতে পারেন আমি ঠিক ততটাই জানি। সচলায়তন তৈরী হবার পর থেকে সচলায়তনটাই বেশী পড়া হয়। সামহোয়ারইনেও যাই তবে সেখানে পড়ার মতো পোস্ট খুব কম আসে। সেখানে এটিমের কর্মতৎপরতা উপভোগ করতাম খু্ব। সব কিছুতে যে তাদের সাথে একমত হতাম এমন না। তবে ১৯৭১ সালের গণহত্যার সমর্থক পিশাচদের অপদস্থ হতে দেখলে ভালো লাগতো। আমরা হলিউডের অ্যাকশান ছবিতে বা বোম্বাইয়ের মারামারির ছবিতে ভিলেনকে অপদস্থ হতে দেখে যে ধরণের আনন্দ পাই, সামহোয়ারইনে সেই সময় অমি রহমান পিয়াল, শমশের আলম, ডাক্তার সাহেব, ইয়র্কার, হাসিব, অমিত, অলৌকিক হাসানদের হাতে জামাত সমর্থক নরপশুদের, মধ্যস্থতা করে নরপশুদের রক্ষাকারীদের নাস্তানাবুদ হতে দেখে তার চেয়েও অনেক বেশী আনন্দ পেতাম। ওয়ামী যেদিন ব্যান হলো সেদিন দানখয়রাত করতে খুব ইচ্ছা করছিলো। কিন্তু স্বল্প বেতনের ছাপোষা মানুষ বলে পারিনি। ইচ্ছা প্রকাশে সীমাবদ্ধ থাকতে হয়েছে। এটিমের একজন ভক্ত হিসাবে যখন জানতে পারলাম এটিম নিজেই একটা ব্লগ খুলতে যাচ্ছে তখন খুব ভালো লেগেছিল এই ভেবে যে অভাগা বাঙালীর সবথেকে বড় গৌরবের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে আরো একটা সাইট ওয়েবে যাচ্ছে। আশঙ্কা হয়েছিল এবার তাহলে কি সামহোয়ারইনকে ত্রিভুজ-ওয়ালী-আস্তমেয়ে চক্রের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে? সেই আশঙ্কা অবশ্য এখনো আছে। তবে আমার এই লেখার বিষয়বস্তু এটিম নয়।
যে ঘটনার পরম্পরা আমাকে গত আড়াইবছর ধরে ব্লগ পড়ার পরে প্রথমবারের মতো রেজিস্ট্রেশন করতে বাধ্য করলো তা হচ্ছে সচলায়তনের কথিত ব্যান নিয়ে আমারব্লগে গত কয়েকদিনের উদ্বেগজনক পোস্ট-মন্তব্য। বিশেষত: লোকালটক, মাহবুব মোর্শেদ, সুমন রহমান এবং জামাল ভাস্করের লেখা বা কমেন্টগুলি আমার কাছে বহুলাংশে অত্যন্ত আপত্তিকর এবং বাংলাব্লগ জগতের ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক মনে হয়েছে। এরা যে সমস্ত কমেন্ট করছেন তার ফলাফল কতটা মারাত্মক হতে পারে যদি তারা তা না জেনে থাকেন তবে বলবো তাদের বৌদ্ধিক উচ্চতা নিয়ে আমি হতাশ, আর যদি সজ্ঞানে করে থাকেন তাহলে তাদেরকে গোলাম আজম, নিজামী, কামরুজ্জামান, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীদের সমগোত্রীয় বলা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।
শুরুতেই বলেছি আমি বাংলাব্লগগুলি প্রতিদিন খুব ডিটেলসে পড়ি। বিশেষ করে গত ১৫ জুলাই থেকে যখন সচলায়তন ঢাকা থেকে একসেস করা যাচ্ছিল না, তখন থেকে এই বিষয়ের বলতে পারি প্রায় সবকটি পোস্ট পড়েছি। সেখান থেকে যা বুঝতে পারি তাহলো সচলায়তন আদৌ ব্যান হয়েছে কি না বা হলে কি কারণে হয়েছে তা আমরা এখনো জানিনা। কথিত কারণ যেটা বলা হচ্চে গত আঠারো তারিখ থেকে তাহলো মুক্তিযোদ্ধা আলী আমানের পীঠে এক রাজাকারের বাচ্চা লাথি মারার ঘটনার প্রতিক্রিয়াতে সচলায়তনের একটি পোস্টে সেখানকার লেখকদের অনেকের মধ্যকার ভায়োলেন্ট রিঅ্যাকশান। খতিয়ে দেখতে হবে এই কারণটিকে কে বা কারা বারে বারে পাকেচক্রে সামনে এনে দিচ্ছেন। এই কারণের কোন উল্লেখ কিন্তু সচলায়তনের লেখক বা শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে আসেনি। মন্তব্য আকারে বিষয়টি প্রথম উল্লেখিত হয় আমার জানামতে সামহোয়ারইনে মাহবুব মোর্শেদের পোস্টে জনৈকা জামাত সমর্থকের কমেন্টে। এরপর ক্রমশ এর উল্লেখ বাড়তে থাকে। বিশেষ করে লোকালটক, মাহবুব মোর্শেদ, জামাল ভাস্কর এবং সুমন রহমান কথাটিকে বেশ ছড়িয়ে ডিটেলসে মনোযোগ আকর্ষণী করে বলেছেন বার বার। তাঁদের এই উল্লেখের পরিণাম কী হতে পারে এটা না বোঝার মতো অর্বাচীন তাঁরা কেউই নন। অন্তত সুমন রহমান আর জামাল ভাস্কর তো ননই। এই অপ্রমাণিত বিষয়টিকে সচলায়তনের সম্ভাব্য ব্যান এর বিষয়ে সহানুভুতির জায়গাকে ছাপিয়ে বারে বারে সামনে নিয়ে এসে আপনারা প্রত্যক্ষভাবে জামায়াতে ইসলামী এবং বাকি সকল ধর্মীয় জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীর জঘন্য দালালী করে চলেছেন। এই দালালী আপনাদের স্থান কোথায় কার সাথে কার পাশে নামিয়ে আনছে একটু ভেবে দেখুন। জামাল ভাস্কর এবং সুমন রহমান এক সময় সচলায়তনে লিখতেন এখন আর লেখেন না। এরকম আরো অনেকেই আছেন। এক সাইট থেকে অন্য সাইটে চলে যাওয়া মনোমালিন্য এগুলি খু্বই স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু এই তুচ্ছ অভিমানের প্রতিক্রিয়া যদি হয় বন্ধুকে বোনের ধর্ষণকারীর হাতে তুলে দেওয়া তাহলে সেই প্রতিক্রিয়া প্রদর্শণকারীকে দালাল ছাড়া আর কিছু বলা যায় না।
আমার ব্যক্তিগত মতে মুক্তিযোদ্ধা আলী আমানের পীঠে লাথি মারার ঘটনা একটা ক্রিমিনাল অফেন্স। এই অফেন্স শুধু ব্যক্তি আলী আমানের উপর নয় সাধারণভাবে বাংলাদেশের জনগণের উপর এসে পড়ে। এই ঘটনায় যিনি প্রতিক্রিয়ামুক্ত থাকেন তিনি হয় দালাল নয় মানসীক রোগী। অন্তত একটা গালির প্রতিক্রিয়া হলেও একজন সচেতন নাগরিকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া হিসেবে ঘটনাটি প্রত্যাশা করে।
যারা নেটে লেখালেখি করেন তাঁদের বেশীরভাগ লোকই মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে জড়িত নন। কোন ঘটনা ঘটলে তারা টাইপ করে সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানান। নিয়মিত ভাবে এই রকম প্রতিক্রিয়া জানাতে আমাদের রাজনীতির নিরিহ পর্যবেক্ষক জনগণের মনে ক্ষোভ জমবেই। সেখান থেকে নিজের অক্ষমতার হুতাশন থেকে প্রতিক্রিয়ায় তীব্রতা তীক্ষতা চলে আসে। দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহুবার শিবির বিতাড়ন করা হয়েছে। কোনটাই কিন্তু অহিংস পথে হয় নি। জামাল ভাস্কর একসময়কার শীর্ষ ছাত্রনেতা ছিলেন তিনি এটা খুব ভালো করে জানেন। এইসব মুহুর্তে জনগণের মধ্যকার ক্ষোভ যেভাবে বিস্ফোরিত হয় সেটা আক্রান্তের দিক থেকে নিষ্ঠুরতা মনে হতেই পারে। কিন্তু জনগণের এই নিষ্ঠুরতাগুলি কিন্তু হিস্টোরিক্যালী জাস্টিফাইড। জামাল ভাস্কর যে সংশয়ের ধোঁয়া তুলে ধূপধুনো দিচ্ছেন গত দেড় বছর ধরে সেই প্রক্রিয়ার ফলাফল দাঁড়ায় অর্থাৎ এই বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। এই অবস্থানটা আসলে শেষ বিচারে গণবিরোধীদের পক্ষে চলে যায়।
যাই হোক আপনারদের বিশ্বাস, আপনাদের সংশয় নিয়ে আপনারা সুখী হোন। কিন্তু এই ভূয়া তত্ত্বের ধূয়া যাদের রক্ষা করে তাদের হাতে ত্রিশলক্ষ মানুষের রক্ত লেগে আছে, আর যাদের বিপদে ফেলে তারা আপনি আমি আমাদের বাবা মা আমাদের ভাই বোন। আপনারা নানারকম পরিভাষার তুবড়ি ছুটিয়ে নিজেদের পন্ডিত সাব্যাস্ত করে শেষ বিচারে জনগণের সাথে বাটপারিই করে যাচ্ছেন। আপনাদের মুখে থুতু দিতে ইচ্ছা করলেও দিচ্ছি না। আপনারা আমার থুতুরও যোগ্য নন।
ট্যাগঃ










(২১ ভোট, গড়: 3.29/5)
টিনের সেপাই ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
বাঁশখোর ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
আপনি আমার দীর্ঘ চামপন্থী রাজনীতি তুইলা বিদ্রুপ করলেন! ব্যক্তি আক্রমণ করলেন আমারে!! এ-ই তো পারেন খালি! ধোষারোপ। কিন্তু ফুকো কি কৈছে সেইটা একটু শোনন করবেন না। আপনার প্রতি ধিক্কার জানাই ফ্যাসিস্টগো দালালি করার অপরাধে। সছলায়তন থিকা সামহোয়্যার ইন অনেক ভালো। সচলায়তনের চুতিয়া মডারেটরগো থিকা সাদা ফর্সা আরিল ক্লকারহগ অনেক ভালো। সচলের ব্লগারগো থিকা সামহোয়্যাররে জামাতিরা অনেক ভালো। তাগো লগে আমি খাইদাইউঠবসি। আবেগী ধুয়া তুইলা এই খাতিরের সম্পর্ক নষ্ট করনের হীন চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান করতেছি।
শমশের ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সাগতম, নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত প্রকাশ্যে লেখালেখি করেন৷ ধন্যবাদ আম্গো নাম নেওয়ার লাইগা
রাশেদ ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ
স্বাগতম আপনাকে।
সুশান্ত ২৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
স্বাগতম আপনাকে।
চোর ২৫ জুলাই ২০০৮ ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
যারা জেগে ঘুমায়, তাদেরকে জাগানো যায় না। তবে সময়ই দালালদের চিনিয়ে দেয়।
পাঠক নয়, লেখক হিসেবে চাই।
হিডেন স্ট্রিট ২৫ জুলাই ২০০৮ ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
পাঠক নয়, লেখক হিসেবে চাই।
জেনারেল ২৫ জুলাই ২০০৮ ২:২৬ পূর্বাহ্ণ
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মি……….. প্রকাশ্যে লেখালেখি করেন৷
লাল মিয়া ২৫ জুলাই ২০০৮ ৩:২২ পূর্বাহ্ণ
আপনে আহেন টাইনা ল্যাখেন।

আসল ট্রাপ ২৫ জুলাই ২০০৮ ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
ভালো লাগছে।
নাসরিন সুলতানা ২৫ জুলাই ২০০৮ ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।

লাল মিয়া ২৫ জুলাই ২০০৮ ৬:১২ অপরাহ্ণ
এই পোস্টটা স্টিকি করা হোক
ইমতিয়ার ২৫ জুলাই ২০০৮ ৬:২৩ অপরাহ্ণ
তানভীর ২৫ জুলাই ২০০৮ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
eru ২৬ জুলাই ২০০৮ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
মাহবুব মোর্শেদ ২৬ জুলাই ২০০৮ ৪:০৮ অপরাহ্ণ
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।

নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
নেপথ্যে না থাইকা নিয়মিত লেখালেখি করেন।
আর এই লিঙ্কটা দেইখেন।
http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubmoreblog/28824319
মাহবুব সুমন ২৬ জুলাই ২০০৮ ৪:১৪ অপরাহ্ণ
মাহবুব সুমন ২৬ জুলাই ২০০৮ ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
তো লোকালটক, মাহবুব মোর্শেদ, সুমন রহমান এবং জামাল ভাস্করকে গোলাম আজমের স্তরে নামায় আনলেন ! আপনার বুদ্ধি সম্পর্কে আমার সন্দেহ হচ্ছে !
তো আপনে কোন কানের ফুল গো যে এরকম সার্টিফিকেটে বিতরন করতাছেন ?
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
মোটু ভাই, আপনার কাঙাবনে আস্তর লগে মুড়ি খাওয়া কেমন চলতেসে ?
শিশির ২৬ জুলাই ২০০৮ ১১:০৯ অপরাহ্ণ
hasan morshed post valo hoise

bises koira check and balance niti ta besi valo hoise
jemon kaure telailen abar kaure thapailen, valoi susileo post hoise, chalaite thaken
আরাশি ২৭ জুলাই ২০০৮ ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
তয়, আপনের বৃহৎ মুষ্ঠি দিয়া বাংলা ব্লগিংরে উদ্ধার করণের লাইগা
আপনে কি কি পদক্ষেপ নিলেন জানায়া বাধিত করবেন ।
এইক্ষণে একখানা জিজ্ঞাসা, জামাল ভাস্করদের রাজাকার বানায়া দেবার লাইসেন্স আপনেরে কেঠায় দিছে ? কইতে চায়তেছি,মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাদারী আপনে পায়লেন কোত্থেইকা ?
লোকালটক ২৭ জুলাই ২০০৮ ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
বৃহৎ মুষ্ঠি নিকে হাসান মোরশেদ নামের ব্লগারটাকে নিয়মিত লেখার অনুরোধ কর্তেছি।
মাহবুব মোর্শেদ ২৭ জুলাই ২০০৮ ১২:১০ অপরাহ্ণ
বৃহৎ মুষ্ঠি নিকে হাসান মোরশেদকে নিয়মিত লেখার অনুরোধ করতেছি।
সুমন চৌধুরীকে লাল মিয়া নিকে এই পোস্ট বারবার স্টিকি করার অনুরোধ করার দাবি জানাইতেছি।
ভার্চুয়াল জগতের মজাই আলাদা। আপনের বন্ধুই হয়তো আইসা আপনের গুষ্ঠি উদ্ধার করে দিল আপনে টেরও পাইলেন না। বন্ধু ছাড়া আপনেরে নিয়া দিনরাত ভাবার সময় আর কে পাইবে কন?
মাহবুব মোর্শেদ ২৭ জুলাই ২০০৮ ১২:১২ অপরাহ্ণ
মাহবুব সুমন ২৭ জুলাই ২০০৮ ২:২৪ অপরাহ্ণ
হালার সচুর কুতুবগো কান্ডকারখানা দেইখা আমার কুত্তাও হাসে, আজ এরে, কাইল ওরে রাজাকার খেতাব দিয়ে বেড়াইতাছে (H) যেন তারা মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সি পাইছে। শালার ভন্স সব। সাহস নাই তাই মুখোশের আড়াল থেইকা ফাল পারে। কাপুরুষের দলসব।
চোর ২৭ জুলাই ২০০৮ ২:৩৩ অপরাহ্ণ
বড়মুঠ যায়গামতো ছোতরাপাতা লাগাইয়া দিছে। (H)
মাহবুব সুমন ২৭ জুলাই ২০০৮ ২:৫৭ অপরাহ্ণ
সচু দালালের অভাব নাই

ডেপুটেশনে একটার পর একটা আসতেই আছে
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৩:১৪ অপরাহ্ণ
আপনারা যারা চেষ্টা করেও সচলায়তনে ঢুকতে পারেন নাই বা সচলায়তন থেকে রাগ করে চলে এসেছেন বা সচলায়তন হওয়ায় সামহোয়্যারের মডুগিরি ফলানোর ক্ষমতা কমে গেছে, তাদের কষ্টটা বুঝি। কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত ক্ষোভে অন্ধ হয়ে বিগ পিকচার দেখতে পাচ্ছেন না বলেই আমার মত।
সচলায়তনের সীমাবদ্ধতা আছে, তারা মডারেট করে। চোর এইখানে একজনকে চুদইর ভাই বলতে পারে, সচলায়তনে পারে না। কিন্ত তারা এই জিনিসটা স্বীকার করে। তাদের কাস্টোম মেনে কেউ সেখানে লিখতে পারলে লিখবে, না লিখতে পারলে না লিখবে। কিন্তু তারা আর যা-ই হোক, দেশের পোংগামারার জন্য কথা বলে না, দেশবিরোধীদেরকে প্যাট্রোনাইজ করে না।
রাইসু, মামোকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই। তবে এখানে জামাতবিরোধী কথা বলে গলা ফাটিয়ে দেয়া মাহবুব সুমন যখন মহান নেতা গোলাম আযমের অনুসারী আস্তমেয়ের সাথে ভাইবোন সম্পর্ক পাতায়, তখন জামাতের পদ্ধতির কথা মনে পড়ে। জামাতিরাও এখন মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ বানায়। স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে কথা বলতে গেলেই চেতনার ব্যবসায়ী কিংবা ‘আম্বালীগের দালাল’ বানিয়ে দেয়।
অথচ সত্য হলো, স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে কথা বলতে গেলে কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বৃহৎমুষ্ঠির এই পোস্টের বক্তব্য বলতে গেলেও সচলায়তনের দালালী করার বাধ্যবাধকতা নেই। এই পোস্টে সচলায়তন কোনো ইস্যু নয়, ইস্যু মানুষের কথা বলা, দেশবিরোধীদের কাঁধে কাঁধ মিলানো ভাড়াটে বেশ্যাদের স্বরূপ উন্মোচন করা।
মাহবুব সুমনেরা কি সেটা বুঝে না? কি জানি!
মাহবুব মোর্শেদ জুলাই ২৭, ২০০৮ ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
চোর অর্থাৎ অচ্ছুৎ বলাইকে ধন্যবাদ।
আপনাদের মূল সফলতা হইলো আপনেরা সচলায়তনে গিয়া ভাল কথা বলাবলি করেন। আর মনে গুপ্ত কামনা বাসনা চরিতার্থ করার জন্য সামহয়ার বা আমার ব্লগকে বাইছা নেন। এই জিনিশিটা আমি আগেও কইছিলাম। কইছিলাম যে, গালিবাজরা আসলে সচলায়তনের পাণ্ডা। আজকে নিজমুখে স্বীকার করার জন্য আপনেরে অভিনন্দন জানাই।
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৩:৫০ অপরাহ্ণ
আপনার মন্তব্যে পাঁচতারা। আমার মন্তব্য জাস্টিফাই করতে আপনার এই মন্তব্য অতুলনীয়।
গালিবাজির বিরুদ্ধে আপনার আন্দোলন সফল হউক। রাজাকারদেরকে গালির হাত থেকে রক্ষার জন্য আপনি মহান নেতা, ভাষা আন্দোলনের অগ্রদূত গোলাম আযম পুরষ্কারে ভূষিত হোন, এই দোয়া করি। তবে চোর আর অছ্যুৎ বলাইয়ের ব্যাপারে বলি, অছ্যুৎ বলাই লেখক (অবশ্য লেখক হিসেবে আপনারা সার্টিফিকেট দিবেন কি না সেই ডরে সার্টিফিকেট চাইও না) আর চোর হলো ব্লগার। দুইটার রোল আলাদা।
চোর গালি দেয়। অবশ্যই দেয়। তবে সেই গালির টার্গেট রাজাকার আর ড়াজাকাররা। রাজাকাররা গালি খায় তাদের রাজাকারিত্ব প্রকাশের কারণে আর মাহবুব মোর্শেদের মত ড়াজাকাররা গালি খায় তাদের রাজাকার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য। ড়াজাকারগো হোগা তাতে একটু জ্বলবেই। কি আর করা।
মাহবুব সুমন ২৭ জুলাই ২০০৮ ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
চোর ওরফে বলাইদার কথা শুনে একজনের কথা মনে পইরা গেলো।
ভদ্রলোক আগাগোড়া সুশিল সুবিধাবাদী ও ১০১% মুখোশপড়া কাপুরুষ ।
ভদ্রলোক যখন বুয়েটে পরতেন তখন শিবির বিরোধী মিছিলতো দূরের কথা ছাত্র অধিকার নিয়ে ছোটখাটো আন্দোলনেও তারে পাওন যায় নাই। রাজনীতি হতে ১০০ হাত দুরে নিরাপদে থেকে উনি নিজের ক্যারিয়ার-ভালো রেজাল্ট নিয়া ব্যস্ত ছিলেন সব সময়।
যাই হোক ; এক সময় পাশ করলেন ভালো রেজাল্ট নিয়ে, দেশে কিছুদিন চাকুরিও করলেন, পরে অন্য সবার মতো জার্মানীতে পারিও দিলেন। তো একসময় উনি ব্লগ নামক ভার্চুয়াল জগতের সন্ধান পাইলেন। ওখানে সমানে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। তবে তা নিজের নামে না ছদ্দনামে। পরে তিশমাহাটায় চলে গেলেন উনার মতো ভার্চুয়াল ফাইটারদের মতো। ঐখানে উনি সুশিল চর্চা করতেন , আবার আগের ব্লগে এসে গালাগালী চর্চা করতেন।
আজকাল উনারা মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট বিতরন করছেন, সাথে সাথে রাজাকারী খেতাবও। যেনো মুক্তিযুদ্ধ উনাগো বাপা দার সম্পত্তি।
মাঝে মাঝে ভাবি । হালায় যখন তুমারে মুরগি খোঁজা কইরাও মাঠে পাওন যায় নাই তখন কই ছিলা, স্বার্থপরের মতো নিজেরে নিয়া ব্যস্ত ছিলা। আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ আসলে তুমাগো কই পাওন যাইবো সেইটা বুঝাই যায়।
চোর নাম সুশিলরা কি সেইটা বুঝে ? কি জানি।
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:০৩ অপরাহ্ণ
হে হে, বুয়েটে সেই আমলে শিবিরবিরোধী আন্দোলনের দরকার হতো না।
ঈমানে কই, সামুব্লগে না ঢুকলে আমি বুঝতামই না, শিবির খানকির পোলারা কতোটা শুয়োরের বাচ্চা।
আপনার মন্তব্য একটা কাজে লাগবে। এরপর কোনো রাজাকারের বেজন্মা পোলারে গালি দিলে তখন আমারে কোনো পলিটিক্যাল পার্টির ট্যাগ লাগাইয়া দিতে পারবে না। তাইলে বুঝেন, সেই সুবোধ নির্বিরোধী বালকটা কেন রাজাকারগো আজ গালি দেয়। নিজের কোনো স্বার্থ তো নাই-ই; বরং অনেকের শত্রুও হই।
আমি নিজের সার্টিফিকেটগুলা কখনো ব্লগে আনতে চাই নাই। কারণ, আমি সব মানুষের কাতারে শামিল হতে চাই, সার্টিফকেটের বোঝা সেই কাজটায় বাধা। আজ যারা ভালো ছেলের তকমা গলায় ঝুলায়া রাজাকারগো গালি দেয়া যাইবো না বইলা ফতোয়া দেয়, গালিবাজগো বস্তির ছেলে বইলা উড়ায়া দিতে চায়, তাদের অনেকেরই সার্টিফিকেটের ওজন ওইসব গালিবাজ বস্তির ছেলেদের চাইতে অনেক কম।
এরপরেও আমার মত গালিবাজেরা সুশীল মুখোশ ছেড়ে দেশবিরোধীদেরকে প্রতিরোধ করে যায়। আর যারা দেশবিরোধীদেরকে গালি থেকে বাঁচাতে ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়, তাদেরকে সাথে নিয়ে কাঙাবনে মুড়ি খেতে যায়, তাদের প্রতি ঘৃণার সাথে করুণাও হয়। হয়তো করুণার অনুভূতিটাই বেশি শক্তিশালী।
মাহবুব মোর্শেদ ২৭ জুলাই ২০০৮ ৪:০৪ অপরাহ্ণ
অচ্ছুৎ বলাই ওরফে চোর,
ভালই বলতেছেন। গালাগালির যখন আপনেরা এতই পক্ষে তো নিজেদের জায়গায় গিয়া সেইটার চর্চা করেন না কেন? ওখানে নিজেদের পিঠচাপড়াচাপড়ি কইরা আইসা অন্য জায়গায় গালি দিবেন এইটা কেমন কথা?
আপনেরে লেখক মনে করা না করার সাহস কী আর আমার আছে? আপনেরা তো লেখক তৈরির কারখানা বানাইছেন। আর সেইখানকার আপনে অন্যতম কারিগর। আপনাদের গালাগালির রহস্য তো উন্মোচিত হয়া গেল। তাই না?
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:১২ অপরাহ্ণ
অছ্যুৎ বলাই ‘ওরফে’ চোর - এই লুপ থিকা বাইরান। দুইটা আলাদা রোল।
এইখানে আমারব্লগে চোরের সাথে কথা বলতেছেন। এই রিলেটেড কোনো প্রশ্ন থাকলে জিগাইতে পারেন। চোর বা রাসেলের বাইরে আপনাদের ভাষায় এ-টীমও গালিবাজ। রাসেলের সচলেও লেখে, তবে ডট ছাড়া, চোর সচলে লেখে না, আর এ-টীমও সচলে নাই। সচল আপনারে তাগো বৈঠকে ঢুকতে না দিলে আমাদের কাছে আইসা কান্নাকাটি করলে আমরা কি করতে পারি বলেন?
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:২৪ অপরাহ্ণ
নিজেদের জায়গা বলতে মামো কি বুঝাইতেছেন বুঝলাম না ?? আমরা ব্লগার, পুটকির মধ্যে কখনো যায়যায়দিন বা কখনো পিআলোর ছাপ লাগানো সংবাদকর্মী না। আমরা সামহোয়ারইনে ব্লগাইতে পারি, সচল (যদিও সেটা ফোরাম) বা আমারব্লগেও পারি।এখানে আমরা যেমন চাইলে রাজাকার অথবা রাজাকার তোষণকারীদের হোগা মাইরা বুড়িগঙ্গা বানাইতে পারি, তেমনি চাইলে আপনেরা রাজাকারদের মানবিক অধিকার নিয়া প্রলাপ বকতে পারেন, অথবা মদ খায়া ছাগলের মত চার পায়ে হাটতে পারি, চাইলে সেটার ছবিও দিতে পারি।ব্লগের নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখানে আমার জায়গা, তোমার জায়গা ব্যাপার না।
মাহবুব সুমন ২৭ জুলাই ২০০৮ ৪:০৯ অপরাহ্ণ
ভালোই কইছেন বলাইদা,
আপনার কথায় আমার হাসিই পায়।
আপনাগো মতো মানুষ যাগো সুশিল কইলে সুশিলরাও লজ্জা পাইবো তাগো লাইগাই দেশটার এই অবস্থা। বলতে থাকেন, আপনেরা বলেবেন আমরা শুনুম,হাজার হইলেও লেখক শ্রেনীর মানুষ। গলাবাজী আগে করতেন পল্টনে এখন ব্লগ, থুক্কু রাইটার্স ফুরাম।
আপনারা কুবতে লিখবেন
” আয় ছেলেরে আয় মেয়েরা যুদ্ধে আমরা যাই,
যুদ্ধ শুরু হইলে কিন্তু আমি নাই ! ”
আপনাগো মানুষের জন্য ঘৃনা হয় , দয়া হয়, করুনাও হয়। তবে করুনাটাই বেশী।
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:২০ অপরাহ্ণ
মাসু ভাই, যুদ্ধের ফিলড ডিফাইন করা নিয়া একটু পেজগি আছে। আপনি যেমনটা ভাবছেন, গিয়া মিছিল করা, বন্দুক হাতে নিয়া গুলি করা, সেইডাই যুদ্ধের একমাত্র ফিলড - জিনিসটা ঠিক এমন না।
ব্লগকে ভার্চুয়াল বলে উড়িয়ে দেয়ার দিন শেষ। ইন্টারনেটের প্রসারের সাথে সাথে ব্লগও এখন যুদ্ধের একটা ফিলড। আমি দেশে গিয়া নিযামির গালে থাপ্পড় মারার আগ পর্যন্ত ব্লগে জামাতি পোন্দাইতে পারুম না, এমন কোনো কথা নাই। রাজাকারি মতবাদ প্রচার করতে আইলে এইখানেও প্রতিরোধ দরকার।
যুদ্ধের ডেফিনিশনটাও আরেকটু বিস্তৃত করেন, কেউ যুদ্ধ করে রাইফেল দিয়া, কেউ কলম দিয়া। আমি যুদ্ধটা না হয় কলম দিয়াই করলাম। তবে রাইফেল ধরতে হলে ব্লগে কলম ধরা আমার হাতেই দেশের পক্ষে রাইফলেটা আগে আসবে, রাজাকারদের সাথে মুড়ি খাওয়া লোকজনের তুলনায় - সেই সম্ভাবনাই কি বেশি নয়?
মাহবুব সুমন জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:২৭ অপরাহ্ণ
যদি আপনার হাতে রাইফেল আসে তবে আমারে আপনার পাশে পাবেন। আল্লাহর কসম।
যেই ভাবেই হোক রাইফেল চালানোর ট্রেইনিং আমার আছে। তবে ই সব আবাল কলমবাজ যারা রাইফেল বন্দুকের ফারাক বুঝে না ষেই সব বাল-আবালের জন্য করুনা হয় সব সমসয়।
আমারে আপনে যাই কন সেইটা নিয়া মাথা ঘামাই না। কে কইলো সেইটা হইলেতো দুনিয়া বেহেশত হয়া যাইতো। আমি পাবলিকের কথায় মাথা ঘামাই না। আমি মুড়ি খাই না বোরহানী খাই সেইটা আমার ব্যপার। আপনে খই খান কি কদমা খান সেইটা বা কে জানে ? (H)
যাইহোক, সময়েই দেখা যাইবো। কথায় আছে না যে কুত্তা ঘেউ ঘেউ করে সেই কুত্তার কাপড়ানোর হ্যাডম নাই।
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
যেখানে ঘেউ ঘেউ দরকার, সেখানে ঘেউ ঘেউ করা কুত্তা হইতে আমার আপত্তি নাই। আপনি যদি আমার ঘেউ ঘেউ বন্ধ করে চোরকে চুরি করার সুযোগ দিতে চান, তাইলে কি করা।
যাক, মুড়ির সাথে বোরহানিও যোগ হয়েছে শুনে ভালো লাগলো। তবে ফ্যাট কমায়া খাইয়েন। (H)
মাহবুব সুমন জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৪১ অপরাহ্ণ
টুটুল জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
বৃহৎ মুষ্ঠি = হাসান মোর্শেদ
চোর = অচ্ছুৎ বলাই
লালমিয়া = সুমন রহমান
টিনের সেপাই =
বাঁশখোর =
নিজের নিকে কথা কৈতে মাইনষের এত ভয় ক্যান বুঝিনা। বাকি দুইজনের পরিচয় জানতে ইচ্ছুক
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
হা হা হা! জটিল ইকুয়েশন।
টিনের সেপাই = টুটুল
বাঁশখোর = প্রত্যু
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ৫:০৭ অপরাহ্ণ
টিনের সেপাই=মাওলানা মোদুদি
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ৫:০৯ অপরাহ্ণ
বাঁশখোর=তোমাদের মতি ভাই
Mushtak জুলাই ২৮, ২০০৮ ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
চোর ভায়া, মুখে পোন্দায়াই কি জামাত শিবির খতম করে ফেলা যায়? আপনি কি আশা করেন যে সুশিল বুদ্ধিজীবীরা আপনার মত গালাগালি শুরু করলে দেশ থেকে জামাত নির্মূল হয়ে যাবে? বহুকাল আগে জাগদল নামক একটি রাজনৈতিক দল ছিল, যাদের একমাত্র এজেন্ডা ছিল ভারত বিরোধিতা। তারা খালি ভারতকে গালি গালাজ করতো। তাদের পার্টি চলত র-এর টাকায়, এটা ছিল ওপেন সিক্রেট। কিছু মনে করবেন না ভায়া, আমার সন্দেহ হয় আপনের মত আরো কিছু লোক যারা ব্লগে জামাতরে গালাগালি করে, তারা জামাতেরই পেইড এজেন্ট কিনা।
অপরাধ হলে ক্ষমা করবেন, তবে এটা আমার সন্দেহ।
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
মহাবুব সুমন ঠিকই কইছেন। আমগো মতন লোকদের জন্যই দ্যাশের এই অবস্থা। জামাত শিবিরগো রাজাকার বইলা গালি দিয়া আমরা ডেশটা রসাতলে নিতেছি। স্টুডেন্ট থাকার সময় আমরা এ্যাকটিভলি পলিটিক্স করি নাই দেখেই দেশটা আজ চোর, বাটপারে ভর্তি।এসব ভুলে আমাদের হৃদয় বইলা যদি কিছু থাকে তাহলে সেটা আজ এতই জর্জরিত যে উনার করুণাধারায় সিক্ত হয়েও খুব একটা লাভ হোৈতেছে না।আশা করি উনি অস্ট্রেলিয়া থেইকা কাঙাবনে জনোৈকা গোলাম আযমের পোঁদবালিকার সংগে মুড়ি খেতে খেতে অচিরেই আমাদের দিকনির্দেশনা দিবেন। এবং আমরা নির্বাণলাভ করিব।
মাহবুব সুমন জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৪১ অপরাহ্ণ
জনাব, নিজের নিকে কথা বলুন। মুখোশ পড়া থাকলে হিজরা না মাইয়া সেইটা টের পাই না।
(H)
টিনের সেপাই জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৫০ অপরাহ্ণ
ছিঃ ছিঃ এসব কি বলেন ?? এই বয়সে আইসা যদি আপনেরে এখন মুখ দেইখা সবকিছু চিনন লাগে তাইলে তো সমস্যা।এরপর তো কইবেন নিপল সবসময় ফিডারেই থাকে !! আর ছেলে না মেয়ে না হিজরা না ল্যাম্পপোস্ট, এইটা জাইনা কি করবেন বস ?আজকে না হয় খালি কথাবার্তাই বলি?
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৪২ অপরাহ্ণ
আমিন।
হাসান রায়হান ২৭ জুলাই ২০০৮ ৪:৩০ অপরাহ্ণ
মাসুর আবার চান্দি গরম হইলো ক্যান?
মাহবুব সুমন জুলাই ২৭, ২০০৮ ৪:৪০ অপরাহ্ণ
হট্টগোল ২৭ জুলাই ২০০৮ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
বৃহৎ মুষ্ঠি মোটেও হাসান মোরশেদ হইতারে না। লেখাটা হাসান মোরশেদের স্টাইলের লগে অনেক মিলা যায়। কিন্তু হাসান মোরশেদ যদি বৃহৎ মুষ্ঠি নামে লিখত তাইলে আরেকটু স্টাইল চেঞ্জ কইরা লিখত। এখন এই যে বৃহৎ মুষ্ঠির এই পোস্টের লেখার স্টাইল যে হাসান মোরশেদের লগে মিলল তা সচলের হাসান মোরশেদ লিখলে একটু আলাদা কইরা লিখত। এখন হাসান মোরশেদ আইসা কইলেই শিওর হওয়া যায় যে সে বৃহৎ মুষ্ঠি নয়।
আবার বাঁশখোর কিন্তু হিমুও নয়। হিমু কি এমন কইরা সচলে লেখে? সো বাঁশখোর আর হিমু এক নয়।
চোর জুলাই ২৭, ২০০৮ ৫:৩০ অপরাহ্ণ
হট্টুদা, সচল ক্যাচাল থাইকা বাইরানোর অনুরোধ থাকলো। রাখা না রাখা আপনের ইচ্ছা।
হট্টগোল ২৭ জুলাই ২০০৮ ৫:২৩ অপরাহ্ণ
আর একটা কথা। আপনি বাংলা ব্লগজগতের একদম শুরু থেকে আছেন কইছেন। কিন্তু বাংলা ব্লগ জগতের সাম্প্রতিক অস্থিরতায় আপনি আর থাকতে না পেরে পোস্টাইলেন। গ্যঞ্চামটা এখানেই লাগাইয়া দিলেন।
বাংলা ব্লগজগতে আরো বহুত বহুত অস্থিরতা হইছে যখন আপনার লেখনী আমগো দিক নির্দেশনা দিতে পারত। এ অস্থিরতা তো তেমন কিছুই না।
হে হে হে হে হে
শিশির ২৭ জুলাই ২০০৮ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
@tutul vai,
টিনের সেপাই = drohi
বাঁশখোর = himu
হাসিব জুলাই ২৭, ২০০৮ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ
আমি কুন্টা ?
টিনের সেপাই জুলাই ২৮, ২০০৮ ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমার ধারণা আপনে মাহবুব মোর্শেদ
হাসিব জুলাই ২৮, ২০০৮ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
কওন যায় না । দেখা যাইবো আমি মাহবুব সুমন । ব্রাত্য রাইসু হৈলেও অবাক হবার কিছু নাই ।
সুশান্ত জুলাই ২৮, ২০০৮ ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
দ্রোহী হইলাম আমি। আবার আমি হইলাম শমশের।
লোকালটক ২৭ জুলাই ২০০৮ ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
আইপি হাইড করে হৈলেও বৃহৎ মুষ্ঠি নিকে হাসান মোরশেদকে নিয়মিত লেখার অনুরোধ কর্তেছি পুনরায়।
অন্যদিকে,
লাল মিয়া নিকে সুমন চৌধুরী এই পোস্ট বারবার স্টিকি করার দাবি তুলবেন বৈলা আশা রাখতেছি।
এছাড়া,
এই ইমোটিকন আরো বেশি করে ব্যবহারের জন্য আকুল আবেদন জানাই।
বিভিন্ন নিকে এসে
সুশান্ত জুলাই ২৮, ২০০৮ ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
এভাবে নাম ধরে ডাকাডাকি খুব বিশ্রি লাগছে। এটা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো।
ভাস্কর ২৮ জুলাই ২০০৮ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
কে কোন মানুষ এইটা হিসাব কইরা আসলে কি আসে যায়? ডুয়েলিটি’র নিক চিনতে পারলে উল্টা চুপ কইরা থাকনটাই শ্রেয় মনে হয় আমার কাছে…ভার্চুয়াল জগতে নিজের নিক! তার আবার ব্যবহার! আমি নিজে এক নিকে লিখি বইলা নিশ্চয় সকলেই আমার মতোন হোক তা চাইনা…
তয় জানা নিক হইলে আমারো মনটা খারাপ হইয়া যায়…মনে হয় তারে কই কি লাভ ভাই নতুন নিকে গাইল পারনের, নিজ নামে গালি দিলে তোমারে/আপনেরে আমার বরং আগের চাইতে সাহসী মনে হইবো…ডরপুক পরিচিতিতে থাকনতো খুব সুখের না…
আমার রাজনীতি কথনরে যদি তোমার চাপাবাজীই মনে হয় তাইলে সেইটা নিজের নামেই কও…তর্ক করনটা সহজ হয়…হুদাই ক্যান তমুক মিয়া-অমুক খোরের অবতারণা!
আবার ভালোও লাগে এইসব স্যাটায়ার…সাহিত্য হিসাবে খারাপ না মনে হয়…সুদূর সিলেট বাসীরাও হাউয়াছড়া কইতে পারে দেইখা…জাতীয়তাবাদ কি একটু কমলো! মাল্টি ফ্রন্টের কারবারে একটু অস্থির হইলেও তো ডিফারেনশিয়েট কইরাই রিপ্লাই দেওন যায়…
আসেন তাও মনের কথা ভিন্ন নিকেই কন ভাইয়েরা…
জয়তু বাংলা ব্লগিং!
কেমিকেল আলী ২৮ জুলাই ২০০৮ ১:০১ পূর্বাহ্ণ
টিনের সেপাই = দ্রোহী, এই কথায় তীব্র প্রতিবাদ।
সুশান্ত জুলাই ২৮, ২০০৮ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
এই নাম ধরে ডাকাডাকি টা এক্কেরে অসহ্য লাগতেছে। কি করা যায় বুঝতেছি না।
সুশান্ত জুলাই ২৮, ২০০৮ ১:১০ পূর্বাহ্ণ
যে যারে তারে এক কইরা ফালাইতাছে। আছুদা’র দল সব।
আসল ট্রাপ ২৮ জুলাই ২০০৮ ১:২১ পূর্বাহ্ণ
আসল ট্রাপ=সুমন রহমান
কারো কোন আপত্তি আছে?
সুশান্ত জুলাই ২৮, ২০০৮ ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
এহহামিদা ২৮ জুলাই ২০০৮ ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
রাজাকারের ন্য়া তালিকাটা ঝাকাশ হইছে!!
মাহবুব মোর্শদ, লোকাল টক, ভাস্কর!!
এস্কিমো কি এই নয়া লিস্টিটা সার্টিফাই করছে এখনো!!
এস্কিমো যদি সার্টি